ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক ভেঙে আঞ্চলিক যোগাযোগ বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক ভেঙে আঞ্চলিক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (২৭ মে) ভোর থেকে তিনটি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন। শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান মাসুম বলেন, সড়কে ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। আমার চোখের সামনে মুহূর্তের মধ্যে পানির চাপে সড়কটি ধসে গেছে। তিনি আরও বলেন, এই সড়কের ওপর থাকা ব্রিজের নিচ দিয়ে শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের কুড়িনাল গ্রাম থেকে আসা খাল দিয়ে কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাসন ও বর্ষা মৌসুমে নৌকা চলাচল করত। কিন্তু সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হলে ব্রিজটি ভেঙে খালের মুখ বন্ধ করে এখানে তিন ফুটের সিমেন্টের পাইপ বসানো হয়েছে। এটা ছিল প্রকৌশলীদের ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পরিকল্পনা। একটি খালের পাইপ সরানোর কারণে আজকে সড়কটি ধসে গেছে। সড়কটি ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষদের। অবিলম্বে এই জায়গায় নতুন করে ব্রিজ নির্মাণ করা না হলে, আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। শ্যামগ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গল ও বুধবার অব্যাহত বৃষ্টির পানি ওই পাইপ দিয়ে সরতে ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক ভেঙে আঞ্চলিক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (২৭ মে) ভোর থেকে তিনটি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন।
শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান মাসুম বলেন, সড়কে ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। আমার চোখের সামনে মুহূর্তের মধ্যে পানির চাপে সড়কটি ধসে গেছে।
তিনি আরও বলেন, এই সড়কের ওপর থাকা ব্রিজের নিচ দিয়ে শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের কুড়িনাল গ্রাম থেকে আসা খাল দিয়ে কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাসন ও বর্ষা মৌসুমে নৌকা চলাচল করত। কিন্তু সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হলে ব্রিজটি ভেঙে খালের মুখ বন্ধ করে এখানে তিন ফুটের সিমেন্টের পাইপ বসানো হয়েছে। এটা ছিল প্রকৌশলীদের ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পরিকল্পনা। একটি খালের পাইপ সরানোর কারণে আজকে সড়কটি ধসে গেছে। সড়কটি ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষদের। অবিলম্বে এই জায়গায় নতুন করে ব্রিজ নির্মাণ করা না হলে, আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
শ্যামগ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গল ও বুধবার অব্যাহত বৃষ্টির পানি ওই পাইপ দিয়ে সরতে না পেরে, পানির চাপে একপর্যায়ে সড়কটি মাঝখান থেকে ভেঙে দুভাগে বিভক্ত হয়ে সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে ।
তিনি আরও বলেন, এই সড়কে নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লক্ষাধিক লোক প্রতিনিয়ত জেলা ও উপজেলায় যাতায়াত করে। সড়কটি দুই উপজেলার সংযোগ সড়ক এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জনগণের জেলা সদরে যাতায়াতের জন্য এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মুস্তাক আহমেদ উজ্জল বলেন, সড়কটির আশপাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার থাকায় এবং এ অঞ্চলের মানুষ সড়ক পথে ঢাকায় যাতায়াতে প্রতিদিন ছোট বড় শতশত যানবাহন চলাচল করায় সড়কটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বৃষ্টির পানিতে হঠাৎ এ ভাঙনে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক ভোগান্তি।
তিনি আরও বলেন, ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, (শ্যামগ্রাম- শ্রীঘর বাজার) ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজটি শেষ হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে জেলা ও উপজেলা (এলজিইডির) নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করেও সারা পাওয়া যায়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ভাঙনের জায়গার নাম-ঠিকানা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন। তথ্য পাঠানোর ৩০ মিনিট পর জেলা প্রশাসক নবীনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
What's Your Reaction?