ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত ট্রাম্প, ভেতর থেকে পঁচে যাচ্ছে শরীর!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কিছু ক্লোজ-আপ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। ছবিতে তার ঘাড় এবং হাতে স্পষ্ট লাল দাগ ও ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। নেটিজেনদের কেউ কেউ এটিকে "ভেতর থেকে পচে যাওয়া" বা "ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধি" হিসেবে আখ্যা দিলেও হোয়াইট হাউস একে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে। ভাইরাল হওয়া ছবিতে ট্রাম্পের ডান এবং বাম হাতে কালচে-বেগুনি রঙের দাগ দেখা গেছে। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন এটি সিফিলিস বা অন্য কোনো রক্তজনিত সমস্যা। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য উচ্চমাত্রায় অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন। এই ওষুধ রক্ত পাতলা করে, যার ফলে সামান্য আঘাতেই (যেমন- অতিরিক্ত হাত মেলানো বা টেবিলের কোণায় ঘষা লাগা) বয়স্ক চামড়ায় এমন কালশিটে বা কালচে দাগ পড়া স্বাভাবিক। ভাইরাল ছবিগুলোতে ট্রাম্পের ঘাড়ের ডান পাশে লাল রঙের ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা যায়। অনেকে একে 'শিনগেলস' বা হার্পিস জস্টার মনে করছেন। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. শন বারবারবেলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট বর্তমানে একটি প্রতিরোধ

ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত ট্রাম্প, ভেতর থেকে পঁচে যাচ্ছে শরীর!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কিছু ক্লোজ-আপ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। ছবিতে তার ঘাড় এবং হাতে স্পষ্ট লাল দাগ ও ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। নেটিজেনদের কেউ কেউ এটিকে "ভেতর থেকে পচে যাওয়া" বা "ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধি" হিসেবে আখ্যা দিলেও হোয়াইট হাউস একে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে।

ভাইরাল হওয়া ছবিতে ট্রাম্পের ডান এবং বাম হাতে কালচে-বেগুনি রঙের দাগ দেখা গেছে। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন এটি সিফিলিস বা অন্য কোনো রক্তজনিত সমস্যা।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য উচ্চমাত্রায় অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন। এই ওষুধ রক্ত পাতলা করে, যার ফলে সামান্য আঘাতেই (যেমন- অতিরিক্ত হাত মেলানো বা টেবিলের কোণায় ঘষা লাগা) বয়স্ক চামড়ায় এমন কালশিটে বা কালচে দাগ পড়া স্বাভাবিক।

ভাইরাল ছবিগুলোতে ট্রাম্পের ঘাড়ের ডান পাশে লাল রঙের ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা যায়। অনেকে একে 'শিনগেলস' বা হার্পিস জস্টার মনে করছেন।

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. শন বারবারবেলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট বর্তমানে একটি প্রতিরোধমূলক স্কিন ক্রিম ব্যবহার করছেন। এই ক্রিমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চামড়ায় সাময়িক লালভাব দেখা দিয়েছে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরেও জল্পনা থামছে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৭৯ বছর বয়সে ট্রাম্পের 'ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি' নামক একটি সমস্যা রয়েছে, যা পায়ে ফোলাভাব এবং হাতে কালশিটে তৈরি করতে পারে। বিরোধী শিবির এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা একে গোপন কোনো জটিল রোগের লক্ষণ হিসেবে প্রচার করলেও, এখন পর্যন্ত তার কোনো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সূত্র- ইনকিলাব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow