‘ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম’, ভারতে আসছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা

ভারতের অনলাইনভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, তিনি ভারতের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন এবং নিজের ভাগ্য দেশের সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। আগামীকাল রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি দেশে ফিরছেন। শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দীপকে লেখেন, ভারতের পথে রয়েছি। নিজের ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম অভিজিৎ দীপকের ভারতে পৌঁছানোর কথা ৬ জুন। দেশে ফিরেই তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। তার অভিযোগ, জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম ও ব্যর্থতার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে। দীপকের দাবি, নিট, সিবিএসই, সিইউইটি এবং এসএসসি জিডিসহ বিভিন্ন পরীক্ষাকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ক লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে। প্রথমদিকে তিনি সমর্থকদের দিল্লি বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সমর্থকদের বি

‘ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম’, ভারতে আসছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা

ভারতের অনলাইনভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, তিনি ভারতের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন এবং নিজের ভাগ্য দেশের সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। আগামীকাল রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি দেশে ফিরছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দীপকে লেখেন, ভারতের পথে রয়েছি। নিজের ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম

অভিজিৎ দীপকের ভারতে পৌঁছানোর কথা ৬ জুন। দেশে ফিরেই তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন। তার অভিযোগ, জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম ও ব্যর্থতার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।

দীপকের দাবি, নিট, সিবিএসই, সিইউইটি এবং এসএসসি জিডিসহ বিভিন্ন পরীক্ষাকে ঘিরে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ক লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

প্রথমদিকে তিনি সমর্থকদের দিল্লি বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সমর্থকদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার অনুরোধ জানান। তার মতে, আন্দোলনের প্রতি মানুষের সাড়া প্রত্যাশার চেয়েও বেশি হওয়ায় বড় সমাবেশ বিমানবন্দরের যাত্রী ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

তিনি জানিয়েছেন, ভারতে পৌঁছানোর পর সরাসরি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়ে যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অনুমতি চাইবেন। আন্দোলন পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভিডিও বার্তায় দীপকে বলেন, আমরা আইন মেনে চলা নাগরিক। তাই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কেউ যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে।

এর আগে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে ভারতে ফেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তবে সম্ভাব্য আইনি ঝুঁকি সত্ত্বেও আন্দোলনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

দীপকে বলেন, নিটের প্রায় ২২ লাখ, সিবিএসইর ১৭ লাখ, সিইউইটির ১৬ লাখ এবং এসএসসি জিডির ৪০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষাব্যবস্থার নানা সমস্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে প্রহসন করা হয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর দায় কাউকে না কাউকে নিতে হবে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow