ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৪ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ; আহত ১৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ভাঙ্গা থানার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার গ্রুপ ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। দুই দিন আগে কবির খানের পক্ষের লোকজন শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তায় বেদম মারধর করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে দুই দফায় কবির খানের পক্ষের লোকজনের বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। তিনি আরও জানান, এসব ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৪ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ; আহত ১৫

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ভাঙ্গা থানার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার গ্রুপ ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। দুই দিন আগে কবির খানের পক্ষের লোকজন শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তায় বেদম মারধর করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত দুই দিনে দুই দফায় কবির খানের পক্ষের লোকজনের বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

তিনি আরও জানান, এসব ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল ও সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow