ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয় চন্দ্র সরকারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, জয় আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারত থেকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তার পরিবারকে আত্মহত্যার ঘটনাটি জানানো হয়।
জয় চন্দ্র সরকার (২৩) বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মন্মথপুর কৈবত্যপাড়া গ্রামের রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি কলকাতার কাছাকাছি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাতে অবস্থিত বেসরকারি ব্রেইনওয়্যার ইউনিভার্সিটির বিটেক সিএসই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট রাত ৮টার দিকে জয়ের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জার থেকে তার বাবা রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের কাছে একটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে জানানো হয়, জয় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ওই বার্তা কে পাঠিয়েছেন, তা পরিবার নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি।
ভারতীয় বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে নিহতের পরিবার আরও জানায়, জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহজনক এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায়
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয় চন্দ্র সরকারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, জয় আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারত থেকে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তার পরিবারকে আত্মহত্যার ঘটনাটি জানানো হয়।
জয় চন্দ্র সরকার (২৩) বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মন্মথপুর কৈবত্যপাড়া গ্রামের রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের ছেলে। তিনি কলকাতার কাছাকাছি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাতে অবস্থিত বেসরকারি ব্রেইনওয়্যার ইউনিভার্সিটির বিটেক সিএসই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট রাত ৮টার দিকে জয়ের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জার থেকে তার বাবা রঞ্জিত চন্দ্র সরকারের কাছে একটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে জানানো হয়, জয় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ওই বার্তা কে পাঠিয়েছেন, তা পরিবার নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি।
ভারতীয় বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে নিহতের পরিবার আরও জানায়, জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহজনক এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় আটক রাখা হয়েছে।
জয়ের বাবা রঞ্জিত চন্দ্র সরকার বলেন, ২০২৪ সালে স্টুডেন্ট ভিসায় ভারতে গিয়ে দিল্লির সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হয় জয়। পরে বিষয়টি তার পছন্দ না হওয়ায় ২০২৫ সালে কলকাতার কাছে বারাসাতের ব্রেইনওয়্যার ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বিটেক সিএসই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছিলেন।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে থানায় নিহতের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি।