ভারী বর্ষণে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে উপজেলার বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলের পাকা ও আধাপাকা ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।  এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, সময়মতো পানি না নামলে পুরো মৌসুমের ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এতে লোকসান গুনতে হবে তাদের।  সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত কোথাও কোথাও পানির নিচে তলিয়ে আছে, কোথাও কেবল ধানের শীষের মাথা পানির ওপরে ভেসে থাকতে দেখা যায়। আবার কোনো কোনো জমির পুরো ফসলই পানির নিচে চলে গেছে। খাল-বিল উপচে আশপাশের জমিতে পানি ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে কিছু জমির ফসলে পচন ধরতে শুরু করেছে, এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফলনের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। কোনো কোনো জমির ফসল পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কৃষকরা যতটা সম্ভব ধান কেটে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন।  উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীপাড়া এলাকার কৃষক জমির হোসেন বলেন, আমার ২৯ শতক জমির ধান একেবারে পাকার মুখে ছিল। আর কয়েকদিনের মধ্যেই ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারতাম। ঘন ঘন ভারী বৃষ্টির পানিতে সব ডুবে যাচ্ছে। অন্য জায়

ভারী বর্ষণে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে উপজেলার বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলের পাকা ও আধাপাকা ধানক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। 

এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, সময়মতো পানি না নামলে পুরো মৌসুমের ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এতে লোকসান গুনতে হবে তাদের। 

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত কোথাও কোথাও পানির নিচে তলিয়ে আছে, কোথাও কেবল ধানের শীষের মাথা পানির ওপরে ভেসে থাকতে দেখা যায়। আবার কোনো কোনো জমির পুরো ফসলই পানির নিচে চলে গেছে। খাল-বিল উপচে আশপাশের জমিতে পানি ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

ইতোমধ্যে কিছু জমির ফসলে পচন ধরতে শুরু করেছে, এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ফলনের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। কোনো কোনো জমির ফসল পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কৃষকরা যতটা সম্ভব ধান কেটে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন। 

উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীপাড়া এলাকার কৃষক জমির হোসেন বলেন, আমার ২৯ শতক জমির ধান একেবারে পাকার মুখে ছিল। আর কয়েকদিনের মধ্যেই ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারতাম। ঘন ঘন ভারী বৃষ্টির পানিতে সব ডুবে যাচ্ছে। অন্য জায়গায় ১৪ শতক জমির পাকা ধান পুরোপুরি তলিয়ে গেছে। এসব ধান কেটে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।

উপজেলার নাইঘর এলাকার কৃষক শাহজালাল বলেন, আমাদের মাঠ অন্যান্য এলাকার তুলনায় নিচু এবং পানি সরার তেমন জায়গা নেই। এসব মাঠে সহসায় পানি জমে যায়। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমির পাকা ও আধাপাকা ধানক্ষেত তলিয়ে গেছে। যদি দ্রুত পানি না নামে, তাহলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আমাদের। 

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন কালবেলাকে বলেন, গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে এ উপজেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। পানি দ্রুত নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে। এমন দুর্যোগে আমরা কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow