ভিক্ষাবৃত্তিতে নামাতে শিশুর গোপনাঙ্গ কর্তন, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
১৬ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার জন্য বর্বরভাবে অঙ্গহানি করার ঘটনায় পাঁচ আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দুই অপ্রাপ্তবয়স্ককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রায় ঘোষণা করেন বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সালাহউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া, খন্দকার ওমর ফারুক, মো. রমজান ও সাদ্দাম। দুই শিশু আসামি আঠারোর কম বয়সি হওয়ায় তাদের বিচার করা হয়েছে শিশু আদালতের নিয়ম অনুযায়ী। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাশেদুল ইসলাম জানান, পাঁচজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে; অনাদায়ে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড কার্যকর হবে। শিশু আসামিদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ড আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুর পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামিরা সাত বছরের শিশুকে অপহরণ করে পরিত্যক্ত একটি
১৬ বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার জন্য বর্বরভাবে অঙ্গহানি করার ঘটনায় পাঁচ আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দুই অপ্রাপ্তবয়স্ককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রায় ঘোষণা করেন বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সালাহউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া, খন্দকার ওমর ফারুক, মো. রমজান ও সাদ্দাম। দুই শিশু আসামি আঠারোর কম বয়সি হওয়ায় তাদের বিচার করা হয়েছে শিশু আদালতের নিয়ম অনুযায়ী।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাশেদুল ইসলাম জানান, পাঁচজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে; অনাদায়ে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড কার্যকর হবে। শিশু আসামিদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ড আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুর পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে আসামিরা সাত বছরের শিশুকে অপহরণ করে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায়। শিশুটিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার জন্য তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়, গলায়, বুকে ও পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং মাথার একপাশ ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়। পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের হলেও পরে শিশুর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তভার র্যাবের কাছে আসে এবং ২০১১ সালের ১৫ মে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ও দুই শিশুর বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করা হয়।
বিচারাধীন মামলায় ২০ জন সাক্ষীর বিবৃতি নেন আদালত। আসামিদের আত্মপক্ষ ও যুক্তিতর্ক শোনার পর বৃহস্পতিবার সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করা হয় এ মামলার।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?