ভিজিএফের চালের বস্তায় শেখ হাসিনার স্লোগান, এলাকায় চাঞ্চল্য

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের। উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো র

ভিজিএফের চালের বস্তায় শেখ হাসিনার স্লোগান, এলাকায় চাঞ্চল্য
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের। উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো রং দিয়ে মুছে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, বস্তাগুলো ডেলিভারি দেওয়ার সময় রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়। এরপরও দু-একটি বস্তায় চোখের অগোচরে পূর্বের নাম থেকে যেতে পারে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, এমন হওয়ার কথা নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও ওসিএলএসডির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে বিতর্ক এড়াতে বর্তমানে বিতরণ কেন্দ্রে থাকা বাকি বস্তাগুলোর লেখা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কাজে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল যাতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow