ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে রেস্টুরেন্টে চাঁদাবাজি, জনরোষে আটক

বগুড়া সদর উপজেলার রদ্দিগেলা বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট ও বিএসটিআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় মেহেদী হাসান (৩৭) নামে এক ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটকে হাতেনাতে ধরেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বাজারের ‘শাহাদত রেস্টুরেন্টে’ এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মেহেদী হাসান দুপুরে হঠাৎ শাহাদত রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করেন। সেখানে নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে হোটেলের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ভয় দেখিয়ে হোটেলের মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। টাকা নেওয়ার কিছুক্ষণ পর তার কথাবার্তায় অসংগতি দেখা দিলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে আবার বিএসটিআই (BSTI) কর্মকর্তার ‘সোর্স’ হিসেবে দাবি করেন। বারবার পরিচয় পরিবর্তন এবং অসংলগ্ন আচরণে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। একপর্যায়ে তার প্রতারণা ফাঁস হয়ে যায়। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র বা ভূয়া পরিচয়পত্র দেখাতে না পারলেও তিনি অত্যন্ত দাপটের সাথে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ১০

ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে রেস্টুরেন্টে চাঁদাবাজি, জনরোষে আটক

বগুড়া সদর উপজেলার রদ্দিগেলা বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট ও বিএসটিআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় মেহেদী হাসান (৩৭) নামে এক ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটকে হাতেনাতে ধরেছে স্থানীয় জনতা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বাজারের ‘শাহাদত রেস্টুরেন্টে’ এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মেহেদী হাসান দুপুরে হঠাৎ শাহাদত রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করেন। সেখানে নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিয়ে হোটেলের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ভয় দেখিয়ে হোটেলের মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। টাকা নেওয়ার কিছুক্ষণ পর তার কথাবার্তায় অসংগতি দেখা দিলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে আবার বিএসটিআই (BSTI) কর্মকর্তার ‘সোর্স’ হিসেবে দাবি করেন। বারবার পরিচয় পরিবর্তন এবং অসংলগ্ন আচরণে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। একপর্যায়ে তার প্রতারণা ফাঁস হয়ে যায়।

রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র বা ভূয়া পরিচয়পত্র দেখাতে না পারলেও তিনি অত্যন্ত দাপটের সাথে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন। তার আচরণে সন্দেহ হওয়ায় বাজারের ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে তাকে আটকে দেয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত মেহেদী হাসান বর্তমানে স্থানীয়দের হেফাজতে রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow