ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা দিতেন আব্দুল মান্নান, গেলেন কারাগারে
রংপুরের পীরগাছায় ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা দেওয়ার দায়ে আব্দুল মান্নান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সাতদরগাহ দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মান্নান কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার উসমান গণির ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক এই অভিযান পরিচালনা করেন। জানা গেছে, আব্দুল মান্নান কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নিজেকে ‘রংপুর স্পেশালাইজড চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক’ পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। এই ভুয়া পরিচয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ রোগীদের অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। অভিযানকালে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রাকিবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ভুয়া চিকিৎসকদের এ ধরনের কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুতর প্রতারণা, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলে দেয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে এবং
রংপুরের পীরগাছায় ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা দেওয়ার দায়ে আব্দুল মান্নান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সাতদরগাহ দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মান্নান কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার উসমান গণির ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক এই অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা গেছে, আব্দুল মান্নান কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নিজেকে ‘রংপুর স্পেশালাইজড চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক’ পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। এই ভুয়া পরিচয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ রোগীদের অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
অভিযানকালে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রাকিবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ভুয়া চিকিৎসকদের এ ধরনের কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুতর প্রতারণা, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলে দেয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে এবং অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
What's Your Reaction?