ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, শিশুসহ মৃত ৫৩

লিবিয়ার উপকূলে একটি রাবারের নৌকা ডুবে দুই শিশুসহ অন্তত ৫৩ অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সকলের মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আইওএম জানিয়েছে, ৫৫ আরোহী বহনকারী নৌকাটি গত ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার উপকূলীয় শহর জুয়ারার উত্তরে ভূমধ্যসাগরে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর মাত্র দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুইজনকে তীরে নামানোর পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আইওএমের বরাতে জানা গেছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, নৌকাটিতে বিভিন্ন আফ্রিকান দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীরা ছিলেন। নৌকাটি ৫ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-জাওইয়া এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সাগরে ডুবে যায়। আইওএমের ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্টের’ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত বিপজ্জনক সেন্ট্রাল মেডিটেরানিয়ান রুটে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনার ফলে চলতি বছর এই পথে মৃত বা নিখো

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, শিশুসহ মৃত ৫৩
লিবিয়ার উপকূলে একটি রাবারের নৌকা ডুবে দুই শিশুসহ অন্তত ৫৩ অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সকলের মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আইওএম জানিয়েছে, ৫৫ আরোহী বহনকারী নৌকাটি গত ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার উপকূলীয় শহর জুয়ারার উত্তরে ভূমধ্যসাগরে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর মাত্র দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুইজনকে তীরে নামানোর পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আইওএমের বরাতে জানা গেছে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, নৌকাটিতে বিভিন্ন আফ্রিকান দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীরা ছিলেন। নৌকাটি ৫ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-জাওইয়া এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সাগরে ডুবে যায়। আইওএমের ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্টের’ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত বিপজ্জনক সেন্ট্রাল মেডিটেরানিয়ান রুটে অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনার ফলে চলতি বছর এই পথে মৃত বা নিখোঁজ শরণার্থী ও অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৪৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আইওএমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুধু জানুয়ারি মাসেই চরম আবহাওয়ার মধ্যে সেন্ট্রাল মেডিটেরানিয়ানে একাধিক ‘অদৃশ্য’ নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৩৭৫ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ অনেক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্তই হয়নি। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এসব বারবার ঘটতে থাকা দুর্ঘটনা প্রমাণ করে যে ইউরোপে পৌঁছানোর আশায় এই বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিতে গিয়ে শরণার্থী ও অভিবাসীরা এখনও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow