ভূমিকম্পে ধসে পড়ল বহুতল ভবন, ভিডিও ভাইরাল

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এতে বেশ কিছু ভবন ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে ভবন ধসে পড়তে এবং আতঙ্কিত মানুষকে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। আরও পড়ুন ইন্দোনেশিয়া / ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর আঘাত হানল আরও ৩ শক্তিশালী আফটারশক ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। কেন্দ্রের গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের পর অল্প সময়ের জন্য সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়। আতঙ্কে ঘর ছাড়েন বাসিন্দারা নাজেওয়েওর এক বাসিন্দা জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি বাজারে ছিলেন। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, কম্পন খুব শক্তিশালী ছিল। সৌভাগ্যক্রমে ওই সময় তারা বাড়ির বাইরে ছিলেন। BUILDINGS SWAY VIOLENTLY and CRUMBLE as 7.7 MONSTER QUAKE ROCKS INDONESIA https://t.co/qMl0QaNyzT pic.twitter.c

ভূমিকম্পে ধসে পড়ল বহুতল ভবন, ভিডিও ভাইরাল

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এতে বেশ কিছু ভবন ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে ভবন ধসে পড়তে এবং আতঙ্কিত মানুষকে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। কেন্দ্রের গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

ভূমিকম্পের পর অল্প সময়ের জন্য সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়।

আতঙ্কে ঘর ছাড়েন বাসিন্দারা

নাজেওয়েওর এক বাসিন্দা জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি বাজারে ছিলেন। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি জানান, কম্পন খুব শক্তিশালী ছিল। সৌভাগ্যক্রমে ওই সময় তারা বাড়ির বাইরে ছিলেন।

তিনি বলেন, মানুষ আতঙ্কে ছোটাছুটি করছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছেন এবং পাহাড়ি এলাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ওই বাসিন্দা জানান, তার পরিবারের সবাই নিরাপদ আছেন। কেউ আহত হননি।

হাসপাতালে ফাটল, সরিয়ে নেওয়া হলো রোগীদের

৩১ বছর বয়সী এক হাসপাতালকর্মী জানান, হঠাৎ করে ভূমিকম্প শুরু হওয়ায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

তার ভাষ্য, ভূমিকম্পের সময় রোগীরাও হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। কম্পন এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তিনি কয়েকটি দেওয়ালে ফাটল দেখতে পেয়েছেন।

পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের সিক্কা এলাকার আরেক বাসিন্দা জানান, সেখানে বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাউমেরে বন্দরের টার্মিনালের অপেক্ষাকক্ষও ধসে পড়েছে।

‘রিং অব ফায়ার’-এ ইন্দোনেশিয়া

২৭ কোটির বেশি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়া প্রায় ১৭ হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত। দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত। এ কারণে ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।

ফ্লোরেস দ্বীপের একই উপকূলীয় এলাকায় ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।

এবারের ভূমিকম্পের পর সেই পুরোনো দুর্যোগের স্মৃতিও নতুন করে সামনে এসেছে।

সূত্র: এনডিটিভি
কেএএ/

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow