‘ভূমিদস্যুদের কোনো ছাড় নয়’

ঢাকা সাভারের আমিনবাজারে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান। তিনি বলেছেন, সরকারি জমি দখল বা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সোমবার (০৬ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাহাদাত হোসেন খান বলেন, ভূমিদস্যুরা দেশ ও জাতির শত্রু। নিজেদের স্বার্থ হাসিলে তারা যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ে। তবে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আমরা জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত কর্মকর্তা। তাই জনগণ ও সরকারের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এসিল্যান্ড বলেন, ঘটনাটি আমার যোগদানের আগের। বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট মিস মোকদ্দমার রায় বাতিল এবং এর ভিত্তিতে সৃষ্ট নামজারি জোত বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রস্তুত করা ৯৮৮ নম্বর খতিয়ান অপসারণ করে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অনলাইনে হালনাগাদের প্রক্রিয়া চলছে। শাহাদাত হোসেন

‘ভূমিদস্যুদের কোনো ছাড় নয়’
ঢাকা সাভারের আমিনবাজারে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান। তিনি বলেছেন, সরকারি জমি দখল বা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সোমবার (০৬ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাহাদাত হোসেন খান বলেন, ভূমিদস্যুরা দেশ ও জাতির শত্রু। নিজেদের স্বার্থ হাসিলে তারা যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ে। তবে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আমরা জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত কর্মকর্তা। তাই জনগণ ও সরকারের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এসিল্যান্ড বলেন, ঘটনাটি আমার যোগদানের আগের। বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট মিস মোকদ্দমার রায় বাতিল এবং এর ভিত্তিতে সৃষ্ট নামজারি জোত বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রস্তুত করা ৯৮৮ নম্বর খতিয়ান অপসারণ করে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অনলাইনে হালনাগাদের প্রক্রিয়া চলছে। শাহাদাত হোসেন খান বলেন, ৩১৫/২৪ নম্বর মিস মোকদ্দমা মামলায় খতিয়ান সংশোধনের আবেদনে প্রতারণার আশ্রয়ে জাল খতিয়ান দাখিল করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি উদঘাটনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শাহাদাত হোসেন খান আরও বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও তা স্থায়ী নয়। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জমি সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পরিমাপ করে সরকারের দখলে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি মামলার রায় বাস্তবায়নে নিজে উপস্থিত থেকে প্রকৃত মালিককে জমির দখল বুঝিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় আমরা আপসহীন। দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত অন্যায়ের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow