ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা-যুদ্ধের কারণে সৌর বিদ্যুতে মনোযোগ বাড়াচ্ছে চীন

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যে চরম উচ্চতায় সম্প্রতি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছে চীন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া জানিয়েছে, তিব্বতের দাংজিয়ং কাউন্টিতে ৪ হাজার ৫৫০ মিটার উচ্চতায় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কনসেন্ট্রেটেড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতায় নির্মিত প্যারাবোলিক ট্রাফ সোলার থার্মাল কেন্দ্র। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ৪০০ মেগাওয়াটের ফটোভোল্টাইক সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।প্রকল্পটি ২০২৭ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে। উচ্চভূমি অঞ্চলে এ ধরনের প্রকল্প স্থাপন চীনের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দাংজিয়ং সৌরকেন্দ্রে ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত প্যারাবোলিক ট্রাফ প্রযুক্তি, যেখানে তাপ পরিবাহী তেল ব্যবহার করে সূর্যের শক্তি সংগ্রহ করা হয়। প্রকল্পটি প্রায় ২ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকায় বিস্তৃত। এতে ৬৮টি কালেক্টর লুপ থাকবে। এর মধ্যে

ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা-যুদ্ধের কারণে সৌর বিদ্যুতে মনোযোগ বাড়াচ্ছে চীন

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যে চরম উচ্চতায় সম্প্রতি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছে চীন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া জানিয়েছে, তিব্বতের দাংজিয়ং কাউন্টিতে ৪ হাজার ৫৫০ মিটার উচ্চতায় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কনসেন্ট্রেটেড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতায় নির্মিত প্যারাবোলিক ট্রাফ সোলার থার্মাল কেন্দ্র।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ৪০০ মেগাওয়াটের ফটোভোল্টাইক সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।
প্রকল্পটি ২০২৭ সালের মধ্যে পুরোপুরি চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে।

উচ্চভূমি অঞ্চলে এ ধরনের প্রকল্প স্থাপন চীনের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

দাংজিয়ং সৌরকেন্দ্রে ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত প্যারাবোলিক ট্রাফ প্রযুক্তি, যেখানে তাপ পরিবাহী তেল ব্যবহার করে সূর্যের শক্তি সংগ্রহ করা হয়।

প্রকল্পটি প্রায় ২ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকায় বিস্তৃত। এতে ৬৮টি কালেক্টর লুপ থাকবে। এর মধ্যে ৮টি লুপে চীনের নিজস্ব উন্নত ৮.৬ মিটার প্রশস্ত ট্রাফ ব্যবহার করা হবে, যা বাণিজ্যিক প্রকল্পে বিশ্বের সবচেয়ে বড়।

এই কেন্দ্রের একটি বিশেষ দিক হলো ‘মল্টেন সল্ট’ স্টোরেজ প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে দিনের অতিরিক্ত সৌরশক্তি তাপে রূপান্তর করে সংরক্ষণ করা হবে এবং রাতে বা কম সূর্যালোকের সময় ব্যবহার করা যাবে।

সূত্র: সাউথ চায়না মোর্নিং পোস্ট

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow