ভৈরবে দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর ওসি প্রত্যাহার
কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তাকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়। প্রত্যাহারের এ আদেশে ‘জনস্বার্থে’ বা প্রশাসনিক কারণে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভৈরব সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১০ জুন বুধবার রাতে ভৈরবে সংঘটিত সংঘর্ষ এবং ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ থাকার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ বলেন, ঘটনাটি সত্য। প্রশাসনিক কারণে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে, গত বুধবার সন্ধ্যায় ভৈরবের মাইক্রোস্ট্যান্ডে গাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে শহরের কমলপুর ও বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে হাজার হাজার যাত্রীকে চরম দুর্ভো
কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তাকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়।
প্রত্যাহারের এ আদেশে ‘জনস্বার্থে’ বা প্রশাসনিক কারণে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভৈরব সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১০ জুন বুধবার রাতে ভৈরবে সংঘটিত সংঘর্ষ এবং ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ থাকার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু মূসা শেখ বলেন, ঘটনাটি সত্য। প্রশাসনিক কারণে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার সন্ধ্যায় ভৈরবের মাইক্রোস্ট্যান্ডে গাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে শহরের কমলপুর ও বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে হাজার হাজার যাত্রীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শেলীর নেতৃত্বে রাত ১২টার পর পর সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হলে মধ্যরাতের দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সংঘাতের ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
রাজীবুল হাসান/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?