মতিঝিলের জীবন বিমা টাওয়ারে পুনরায় আগুন
রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থিত জীবন বিমা টাওয়ারে আবারও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে একই ভবনে দুবার আগুন লাগায় ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
জানা গেছে, ২১ তলা বিশিষ্ট ভবনটির একটি অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এ সময় ভবনে অবস্থানরত রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত নিচে নেমে আসেন। অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তড়িঘড়ি করে ভবন ত্যাগ করেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও আতঙ্ক কাটেনি ভবনজুড়ে।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল বিকেলের দিকে একই ভবনে প্রথমবার আগুন লাগে। সেদিনও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৯৭০ সালে নির্মিত পুরোনো এই ভবনে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ সং
রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থিত জীবন বিমা টাওয়ারে আবারও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে একই ভবনে দুবার আগুন লাগায় ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
জানা গেছে, ২১ তলা বিশিষ্ট ভবনটির একটি অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। এ সময় ভবনে অবস্থানরত রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত নিচে নেমে আসেন। অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তড়িঘড়ি করে ভবন ত্যাগ করেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও আতঙ্ক কাটেনি ভবনজুড়ে।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল বিকেলের দিকে একই ভবনে প্রথমবার আগুন লাগে। সেদিনও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৯৭০ সালে নির্মিত পুরোনো এই ভবনে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
ভবনে কর্মরতদের অভিযোগ, বিল্ডিং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটছে এবং তারা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভবনটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।