মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। জানা গেছে, দেশটির বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ সেন্টকমের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, রণতরীটি বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। তবে এটি আগে থেকেই মোতায়েন থাকা বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে নাকি কোনো জাহাজকে প্রতিস্থাপন করবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এখনও লোহিত সাগরে অবস্থান করছে। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, এটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের অধীনে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়, ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের জন্য অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত। এদিকে ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ইরানের তেল পরিবহনকারী একটি জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন বাহিনী।

মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। জানা গেছে, দেশটির বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ সেন্টকমের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, রণতরীটি বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। তবে এটি আগে থেকেই মোতায়েন থাকা বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবে নাকি কোনো জাহাজকে প্রতিস্থাপন করবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এখনও লোহিত সাগরে অবস্থান করছে।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, এটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের অধীনে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়, ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ওয়াশিংটনের জন্য অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত।

এদিকে ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ইরানের তেল পরিবহনকারী একটি জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ‘এমটি ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের ওই জাহাজটিতে তল্লাশি ও নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হয়। তিন দিনের মধ্যে এ ধরনের এটি দ্বিতীয় অভিযান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, রাতে মার্কিন বাহিনী নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ‘রাষ্ট্রহীন’ জাহাজ ‘এমটি ম্যাজেস্টিক এক্সে’ অভিযান চালায় ও বোর্ডিং অপারেশন সম্পন্ন করে। জাহাজটি ইরানের পক্ষে তেল পরিবহনসহ ‘উপাদানগত সহায়তা’ দিচ্ছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে, যাতে অবৈধ নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া যায় ও যেসব জাহাজ ইরানকে সহায়তা করে সেগুলোকে যেকোনো স্থানে আটকানো যায়। পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের একটি ভিডিওও প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেখা যায় হেলিকপ্টার থেকে মার্কিন সেনারা একটি বড় ট্যাংকারের ডেকে নামছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর আরও জানায়, অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের দায়িত্বাধীন এলাকায় হয়েছে, যা প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরীয় বিস্তৃত অঞ্চল তদারকি করে। তবে নির্দিষ্ট অবস্থান জানানো হয়নি।

সূত্র: বিবিসি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow