মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে মার্কিন সেনাদের বহিষ্কারের আহ্বান ইরানের
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কৌশল স্থিতিশীলতা আনার বদলে বরং নতুন উত্তেজনা তৈরি করছে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তথাকথিত মার্কিন নিরাপত্তা ছাতাকে অকার্যকর বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এবং এতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে। আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতা ফাঁকফোকরে ভরা এবং এটি সমস্যা ঠেকানোর বদলে বরং আমন্ত্রণ জানায়। তিনি আরও দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে এখন যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর সহায়তা চাইছে, এমনকি চীনের কাছেও। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিদেশি বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোকে আহ্বান জানাই, তারা যেন বিদেশি আগ্রাসী শক্তিকে বহিষ্কার করে, বিশেষ করে যারা শুধু ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত বাড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের তেল এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এদিকে মার্কিন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কৌশল স্থিতিশীলতা আনার বদলে বরং নতুন উত্তেজনা তৈরি করছে।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তথাকথিত মার্কিন নিরাপত্তা ছাতাকে অকার্যকর বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এবং এতে অনেক দুর্বলতা রয়েছে।
আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতা ফাঁকফোকরে ভরা এবং এটি সমস্যা ঠেকানোর বদলে বরং আমন্ত্রণ জানায়।
তিনি আরও দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে এখন যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর সহায়তা চাইছে, এমনকি চীনের কাছেও।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিদেশি বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোকে আহ্বান জানাই, তারা যেন বিদেশি আগ্রাসী শক্তিকে বহিষ্কার করে, বিশেষ করে যারা শুধু ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত বাড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের তেল এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে পারে।
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, তারা দ্রুত যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা কমানোর পক্ষে এবং সব পক্ষের দায়িত্ব রয়েছে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা নিশ্চিত করার।
সূত্র: তাসনিম নিউজ
এমএসএম
What's Your Reaction?