মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা : দেশে ফেরানোর আকুতি বেয়ারস্টোর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে আবুধাবিতে অবস্থানরত ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার জনি বেয়ারস্টো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শনিবার আবুধাবিজুড়ে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় বহু বাসিন্দার মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সেখানে নিকটবর্তী নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নেওয়া এবং জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আবুধাবিতেই সিরিজ খেলছে পাকিস্তান শাহীনস ও ইংল্যান্ড লায়ন্স। ৫০ ওভারের একটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল রবিবারেও (১ মার্চ)। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ম্যাচটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন দলটির নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়। বেয়ারস্টো সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেন, ফ্লাইট বাতিলের পর থেকে এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তিনি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে আবুধাবিতে অবস্থানরত ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কাছে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার জনি বেয়ারস্টো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শনিবার আবুধাবিজুড়ে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় বহু বাসিন্দার মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সেখানে নিকটবর্তী নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নেওয়া এবং জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
আবুধাবিতেই সিরিজ খেলছে পাকিস্তান শাহীনস ও ইংল্যান্ড লায়ন্স। ৫০ ওভারের একটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল রবিবারেও (১ মার্চ)। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ম্যাচটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন দলটির নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়। বেয়ারস্টো সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেন, ফ্লাইট বাতিলের পর থেকে এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তিনি লেখেন, ‘সব ধরনের যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি।’
এদিকে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানায়, ‘দল ও স্টাফদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ক্রীড়াঙ্গনেও যে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, আবুধাবির এই ঘটনাই তার উদাহরণ।