মধ্যপ্রাচ্যে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে প্রায় ৮৬০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ও সহায়তা পরিষেবাসহ একাধিক বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতি অনুসারে, এই চুক্তিগুলোর আওতায় রয়েছে ইসরায়েল, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। কাতার ৪০১ কোটি ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স সরঞ্জাম ও পরিষেবা পাবে, অন্যদিকে কুয়েত ২৫০ কোটি ডলারের ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম কেনার অনুমোদন পেয়েছে। ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত যথাক্রমে প্রায় ৯৯ কোটি ডলার এবং ১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার মূল্যের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম কেনার অনুমোদন পেয়েছে। এদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে ইরান ও তার মিত্ররা আটটি দেশের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে প্রায় ৮৬০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ও সহায়তা পরিষেবাসহ একাধিক বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতি অনুসারে, এই চুক্তিগুলোর আওতায় রয়েছে ইসরায়েল, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
কাতার ৪০১ কোটি ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স সরঞ্জাম ও পরিষেবা পাবে, অন্যদিকে কুয়েত ২৫০ কোটি ডলারের ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম কেনার অনুমোদন পেয়েছে।
ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত যথাক্রমে প্রায় ৯৯ কোটি ডলার এবং ১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার মূল্যের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম কেনার অনুমোদন পেয়েছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৬টি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে ইরান ও তার মিত্ররা আটটি দেশের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। এতে অনেক স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
মার্কিন কংগ্রেসের এসব ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করা দলের এক সহকারী জানান-মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বড় অংশজুড়ে থাকা স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পুরো স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বন্ধ করে দিতে হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এগুলো মেরামতযোগ্য বলেও মত দেওয়া হয়েছে।
টিটিএন
What's Your Reaction?