মন্ত্রিসভার শপথ সংসদ ভবনে হওয়ার কারণ জানালেন আইন উপদেষ্টা
রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় করার কারণ জানালেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের বিষয়ে কথা বলেন আইন উপদেষ্টা। এর আগে তো বঙ্গভবনে শপথ হতো, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ হওয়ার কারণ কী- জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ, বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। আমার ধারণা যেটা সেটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের এই সংসদটা একটু ভিন্ন। আমরা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, এই গণঅভ্যুত্থান, অনেক আত্মত্যাগ, অনেক কষ্ট, অনেক বেদনা, অনেক প্রাণহানির বিনিময়ে আমরা এই সংসদটা পেয়েছি। এই সংসদটা অন্য সব সংসদের চেয়ে একটু ডিফারেন্ট। তিনি আরও বলেন, তাছাড়া এই সংসদ প্রাঙ্গণে অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। আপনারা জানেন জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ- এই দুটিকে ঘিরে যে অনুষ্ঠান সেটাও সংসদেই আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংসদের সাউথ প্লাজাটা আমাদের কাছে আরও বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। আমাদের প্রয়াত নেত্র
রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় করার কারণ জানালেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও রয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের বিষয়ে কথা বলেন আইন উপদেষ্টা।
এর আগে তো বঙ্গভবনে শপথ হতো, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ হওয়ার কারণ কী- জানতে চাইলে আইন উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথ, বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিল। আমার ধারণা যেটা সেটা হচ্ছে, যেহেতু আমাদের এই সংসদটা একটু ভিন্ন। আমরা জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার যে আত্মত্যাগ, এই গণঅভ্যুত্থান, অনেক আত্মত্যাগ, অনেক কষ্ট, অনেক বেদনা, অনেক প্রাণহানির বিনিময়ে আমরা এই সংসদটা পেয়েছি। এই সংসদটা অন্য সব সংসদের চেয়ে একটু ডিফারেন্ট।
তিনি আরও বলেন, তাছাড়া এই সংসদ প্রাঙ্গণে অনেকগুলো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। আপনারা জানেন জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ- এই দুটিকে ঘিরে যে অনুষ্ঠান সেটাও সংসদেই আয়োজন করা হয়েছিল। এই সংসদের সাউথ প্লাজাটা আমাদের কাছে আরও বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। আমাদের প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা হয়েছিল এটার পাশের জায়গাতে। আমাদের যে সবার প্রিয় শহীদ ওসমান হাদির জানাজাও হয়েছিল এখানে।
আসিফ নজরুল আরও বলেন, অনেক স্মৃতি জড়িত আছে এখানে। প্লাস, এটা আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন যে ডকুমেন্টেশন সেটার প্রকাশের একটা জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তো, সবকিছু বিবেচনা করে হয়তো ওনারা অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন, আমরা সেটা অনুযায়ী আয়োজন করেছি।
আইন উপদেষ্টা বলেন, আজকে আমাদের একটা বিদায়ী বৈঠক ছিল। আমরা এখানে কোনো মেজর ডিসিশন নেইনি। আমরা আমাদের কাজ-কর্ম একটু রিফ্লেক্ট করলাম। তারপর আমাদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হলো। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। তেমন মেজর কিছু না। এটা সবাই একসঙ্গে হয়ে শেষ বৈঠক করার মতোই। আর শপথের ব্যাপারে আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার সময় সংসদ সদস্যদের শপথ হচ্ছে। খুব সম্ভবত যেরকম পরিস্থিতি, আমি ধারণা করছি যে, এটা প্রধান নির্বাচন কমিশনার করাবেন।
আসিফ নজরুল বলেন, আর হচ্ছে, এর পরপরই বিএনপি থেকে আমাদের জানানো হয়েছে যে, ওনারা ওখানে বসেই ওই শপথের পরপর ওনাদের সংসদীয় দলের যে প্রধান, তাকে নির্বাচিত করবেন। হয়তো সাড়ে ১১টা বা ১২টার দিকে। আর বিকেল ৪টায় সাউথ প্লাজাতে শপথ অনুষ্ঠান হবে মন্ত্রিসভার। সেটা আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি সেটা রাষ্ট্রপতি পড়ানোর কথা, উনি পড়াবেন।
আর কারা কারা আমন্ত্রিত হবেন- এ বিষয় তিনি বলেন, কনভেনশন অনুযায়ী যাদের আমন্ত্রণ করার কথা তাদেরই করা হবে। এটা ক্যাবিনেট ডিভিশন দেখছে, আমি এটা ক্লিয়ারলি বলতে পারবো না।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসবেন কি না- এ বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, আমার এ সম্পর্কে জানা নাই। আমি শুধু আজকে শুনেছি যে আমার মিটিংয়ে যেটা শুনেছি সেটা হচ্ছে এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে আছে, তাদের পক্ষ থেকে সার্ক কান্ট্রিগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বলা হয়েছে। আর আপনি যেটা বললেন কোনো প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
আরএমএম/এএমএ
What's Your Reaction?