মরদেহের জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিল রেলওয়ে পুলিশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত এক যুবকের পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় শোকাহত পরিবারের সঙ্গে পুলিশের এমন আচরণে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ওই যুবক বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের মানিকপটল এলাকার নান্নু সরকারের ছেলে রাশেদ (৩৮)। নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, মরদেহ আটকে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হলেও টালবাহানা শুরু করে তারা৷ পরে আরও ৫ হাজার টাকা দেওয়া হলে মরদেহ নিয়ে যেতে দিয়েছে তারা। নিহতের পরিবারের কাছ থেকে মরদেহ আটকে টাকা আদায় করায় পুলিশকে বিচারের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের। শুরুতে নিহতের স্বজনরা পুলিশকে টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় জানান, টাকা না দিলে মরদেহ আটকে দেয়ার কথা বলায় ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেলওয়ে পুলিশের ওই সদস্য টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তার নাম পদবি জানাতেও অপারগতা প্রকাশ করেন । এর আগে

মরদেহের জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিল রেলওয়ে পুলিশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেলওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত এক যুবকের পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় শোকাহত পরিবারের সঙ্গে পুলিশের এমন আচরণে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ওই যুবক বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের মানিকপটল এলাকার নান্নু সরকারের ছেলে রাশেদ (৩৮)।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, মরদেহ আটকে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হলেও টালবাহানা শুরু করে তারা৷ পরে আরও ৫ হাজার টাকা দেওয়া হলে মরদেহ নিয়ে যেতে দিয়েছে তারা।

নিহতের পরিবারের কাছ থেকে মরদেহ আটকে টাকা আদায় করায় পুলিশকে বিচারের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।

শুরুতে নিহতের স্বজনরা পুলিশকে টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় জানান, টাকা না দিলে মরদেহ আটকে দেয়ার কথা বলায় ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেলওয়ে পুলিশের ওই সদস্য টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তার নাম পদবি জানাতেও অপারগতা প্রকাশ করেন ।

এর আগে নিহতের পরিবার জানান, রাশেদ ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ঈদের ছুটি শেষে মোটরসাইকেলযোগে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। পথে কালিহাতীর সল্লা এলাকায় প্রকৃতির ডাকা সাড়া দিতে মোটরসাইকেল থামিয়ে রেললাইন পার হওয়ার সময় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow