মস্কোতে বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘বাংলা বর্ষবরণ’ উদযাপিত

নানা আয়োজনে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে উদযাপিত হলো বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘বাংলা বর্ষবরণ-১৪৩৩’। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দূতাবাস প্রাঙ্গনে দিনব্যাপি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় এই উৎসব। দূতাবাস পরিবার, বিদেশি অতিথি, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাংবাদিক, মস্কোর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সপরিবারে স্বতঃস্ফুর্তভাবে বাংলা বর্ষবরণের এই উৎসবে যোগদান করেন।  বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য অনুষ্ঠানস্থল বর্ণিল আলপনা, রঙিন কাগজ, বেলুন, ব্যানার, ফেস্টুন, ফুল, পালকি, ভ্যান, নকশি কাঁথা, মাটির কলসি ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়; যা দূতাবাস প্রাঙ্গনকে এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত করে। উদযাপনের অংশ হিসেবে মস্কোর রাস্তায় প্রথম বারের মতো আয়োজন করা হয় বাংলা বর্ষবরণ উৎসবের ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী শোভাযাত্রার’। নানান রঙের ব্যানার, ফেস্টুন, প্রতিকৃতি নিয়ে এ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন মস্কোর বিদেশি অতিথিরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শোভাযাত্রাটি প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া

মস্কোতে বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘বাংলা বর্ষবরণ’ উদযাপিত

নানা আয়োজনে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে উদযাপিত হলো বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘বাংলা বর্ষবরণ-১৪৩৩’। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দূতাবাস প্রাঙ্গনে দিনব্যাপি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় এই উৎসব।

দূতাবাস পরিবার, বিদেশি অতিথি, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব, গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাংবাদিক, মস্কোর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সপরিবারে স্বতঃস্ফুর্তভাবে বাংলা বর্ষবরণের এই উৎসবে যোগদান করেন। 

বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য অনুষ্ঠানস্থল বর্ণিল আলপনা, রঙিন কাগজ, বেলুন, ব্যানার, ফেস্টুন, ফুল, পালকি, ভ্যান, নকশি কাঁথা, মাটির কলসি ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়; যা দূতাবাস প্রাঙ্গনকে এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত করে।

উদযাপনের অংশ হিসেবে মস্কোর রাস্তায় প্রথম বারের মতো আয়োজন করা হয় বাংলা বর্ষবরণ উৎসবের ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী শোভাযাত্রার’। নানান রঙের ব্যানার, ফেস্টুন, প্রতিকৃতি নিয়ে এ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন মস্কোর বিদেশি অতিথিরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শোভাযাত্রাটি প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা প্রদক্ষিণ করে।

এছাড়াও উৎসবের অংশ হিসেবে বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী খাবার, মিষ্টান্ন সামগ্রী, পোষাক, হস্তশিল্প ও অন্যান্য পণ্যের বিভিন্ন স্টলের আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত সকলে সমবেত স্বরে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানটির পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রী এবং দূতাবাস পরিবার সমন্বয়ে শিল্পীরা দিনব্যাপি গান, নাচ পরিবেশনার মাধ্যমে মুগ্ধ করেন আগত অতিথিদের। পরিবেশনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল রাশিয়ান শিল্পীদের পরিবেশনায় বাঙালি নাচ। স্টলগুলোতে অতিথিদের পিঠা, পায়েস, মিস্টি, দেশীয় খাবার, বিরিয়ানী, চটপটি ইত্যাদি পরিবেশন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে আগত অতিথিদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। বাংলা নববর্ষ সূচনার ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্য প্রদর্শন সব বাঙালির জন্য গর্বের এবং আনন্দের। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে ধারণ, লালন, প্রচার এবং প্রসারের জন্য কাজ করতে উপস্থিত অতিথিদের আহ্বান জানান।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে একই সময়ে মস্কোতে দূতাবাসের উদ্যোগে বিখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে রাশিয়ায় প্রথমবারের মতো সপ্তাহব্যাপি চিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow