মহাকবি কায়কোবাদ স্মরণে নবাবগঞ্জে ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা
মহাকবি কায়কোবাদের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জে তার কালজয়ী কবিতা ‘আজান’ নিয়ে বিদ্যালয়ভিত্তিক আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল থেকে দিনব্যাপী উপজেলা-ব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয় ১ নম্বর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মহাকবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কবিতার আবেগঘন পঙ্ক্তিমালায় মুগ্ধ হন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও অনুভূতির। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি কায়কোবাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর কালজয়ী ‘আজান’ কবিতা আমাদের শৈশব, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য সম্পদ। নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা শিশুদের মাঝে এই অমর সৃষ্টি ছড়িয়ে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা শুধু কবিতা আবৃত্তিই শিখবে না, তাদের সুপ্ত প্রতিভা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশেরও সুযোগ পাবে। পল্লবী কচি-ক
মহাকবি কায়কোবাদের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার নবাবগঞ্জে তার কালজয়ী কবিতা ‘আজান’ নিয়ে বিদ্যালয়ভিত্তিক আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল থেকে দিনব্যাপী উপজেলা-ব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয় ১ নম্বর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে মহাকবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কবিতার আবেগঘন পঙ্ক্তিমালায় মুগ্ধ হন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও অনুভূতির। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি কায়কোবাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর কালজয়ী ‘আজান’ কবিতা আমাদের শৈশব, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য সম্পদ। নবাবগঞ্জ পল্লবী কচি-কাঁচার মেলা শিশুদের মাঝে এই অমর সৃষ্টি ছড়িয়ে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশুরা শুধু কবিতা আবৃত্তিই শিখবে না, তাদের সুপ্ত প্রতিভা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশেরও সুযোগ পাবে।
পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার সংগঠক শুভাশিস গোস্বামী বলেন, মহাকবি কায়কোবাদ নবাবগঞ্জের গর্ব এবং বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ‘আজান’ কবিতার সুর, আবেগ ও মানবিকতার বার্তা শিশুদের কণ্ঠে শুনে আমরা অনুপ্রাণিত। তাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতেই আমাদের এই আয়োজন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাউছার হুসাইন, সামছুন নাহার, পারভীন আক্তার ও নূর নাহার এবং পল্লবী কচি-কাঁচার মেলার সংগঠক অনিক হোসেন আবির।
প্রতিযোগিতায় রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তারা হলো— তাকওয়া ইসলাম, তিশা আক্তার, লামিয়া ইসলাম, জান্নাতুল ইসলাম, সিনথিয়া ইসলাম, তানজিম ফারাবী, ফারহানা আক্তার রিতি, তায়েবা আক্তার, আতিকুল ইসলাম ও সিয়াম হোসেন।
বিচারকদের মূল্যায়নে প্রথম স্থান অর্জন করে তাকওয়া ইসলাম, দ্বিতীয় হয় সিনথিয়া ইসলাম এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে তানজিম ফারাবী।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা।
What's Your Reaction?