মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর কারাগারে
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শাহ আলম। তবে আসামির পক্ষে কোন আবেদন ছিল না। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, মঙ্গলবার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর নবাবগঞ্জের মহিষদিয়া এলাকা থেকে আমিনুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলায় অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাত ৯টার দিকে আমিনুর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা অবনতিসহ দাঙ্গা বাঁধানোর জন্য হিংসাত্মকভাবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন। তার এ অবমাননা ও আপত্তিকর মন্তব্য ওই এলাকাসহ আশপাশের ইসলাম ধর্মের মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজ
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শাহ আলম। তবে আসামির পক্ষে কোন আবেদন ছিল না। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, মঙ্গলবার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর নবাবগঞ্জের মহিষদিয়া এলাকা থেকে আমিনুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলায় অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাত ৯টার দিকে আমিনুর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা অবনতিসহ দাঙ্গা বাঁধানোর জন্য হিংসাত্মকভাবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন। তার এ অবমাননা ও আপত্তিকর মন্তব্য ওই এলাকাসহ আশপাশের ইসলাম ধর্মের মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করে। এতে এলাকায় যেকোনো সময় দাঙ্গাসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে অভিযোগ করা হয়।