মহাসড়কের পাশে গরুর হাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না: মন্ত্রী

মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে গরুর হাট ও বাজার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। মন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। এসময় মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাট-বাজার বা পশুর হাট বসলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক গণসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ রবিউল আলম বলেন, ‌‘বিআরটি প্রকল্প যারা নিয়েছিল তারা একটি ত্রুটিযুক্ত প্রকল্প নিয়েছিল। এই প্রকল্পটি বাস চলাচলবান্ধব ছিল না। প্রথম প্রস্তাব এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে, প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনা করে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করেছি। সেই কমিটিতে পর্যালচনা চলছে। ঈদের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে

মহাসড়কের পাশে গরুর হাট কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না: মন্ত্রী

মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে গরুর হাট ও বাজার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

মন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। এসময় মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাট-বাজার বা পশুর হাট বসলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক গণসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‌‘বিআরটি প্রকল্প যারা নিয়েছিল তারা একটি ত্রুটিযুক্ত প্রকল্প নিয়েছিল। এই প্রকল্পটি বাস চলাচলবান্ধব ছিল না। প্রথম প্রস্তাব এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে, প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনা করে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করেছি। সেই কমিটিতে পর্যালচনা চলছে। ঈদের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রকল্পটি যদি চালু রাখতে পারি, তাহলে আমার মনে হয়েছে প্রকল্পটি উচ্ছেদ করার চেয়ে আরও বেশি কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তবে যেটা যুক্তিযুক্ত এবং জনবান্ধব সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।’

গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির খান এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, গাজীপুর পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন প্রমুখ।

আমিনুল ইসলাম/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow