মহাসড়কে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজারে হাজার যানবাহন পারাপারের ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। তবে, অতি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশের লাঙ্গলবন্দ ব্রিজটি চরম দুর্ভোগ বাড়াচ্ছেন। ব্রিজটির বেহাল দশা হয়ে প্রতিনিয়ত ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। যা আসন্ন ঈদকালীন ছুটিতে গাড়ির বাড়তি চাপ বাড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। এদিকে মানুষের ঝুঁকি এড়াতে আগামীকাল থেকে সংস্কার কার্যক্রম চালু করা হবে বলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটির উভয় লেনে বড়বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যকার একটি গর্ত অতিরিক্ত বড় আকার হওয়াতে প্রায় সময়ে দ্রুত কিংবা ধীর গতির যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি ঘটে থাকেন। অপরদিকে ব্রিজটির ঢাকাগামী লেনের পশ্চিম পাশের রেলিং ভেঙে যাওয়া ব্রিজে উঠতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হন। সোনারগাঁ অংশ অবস্থিত মেঘনা টোল প্লাজার তথ্যমতে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে অন্তত ২১-২২ হাজার যানবাহন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে আসা-যাওয়া করেন। হিসাব অনুয

মহাসড়কে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজারে হাজার যানবাহন পারাপারের ফলে অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। তবে, অতি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশের লাঙ্গলবন্দ ব্রিজটি চরম দুর্ভোগ বাড়াচ্ছেন। ব্রিজটির বেহাল দশা হয়ে প্রতিনিয়ত ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। যা আসন্ন ঈদকালীন ছুটিতে গাড়ির বাড়তি চাপ বাড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।

এদিকে মানুষের ঝুঁকি এড়াতে আগামীকাল থেকে সংস্কার কার্যক্রম চালু করা হবে বলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটির উভয় লেনে বড়বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যকার একটি গর্ত অতিরিক্ত বড় আকার হওয়াতে প্রায় সময়ে দ্রুত কিংবা ধীর গতির যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি ঘটে থাকেন। অপরদিকে ব্রিজটির ঢাকাগামী লেনের পশ্চিম পাশের রেলিং ভেঙে যাওয়া ব্রিজে উঠতে গিয়ে অনেক সময় যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হন।

সোনারগাঁ অংশ অবস্থিত মেঘনা টোল প্লাজার তথ্যমতে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে অন্তত ২১-২২ হাজার যানবাহন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে আসা-যাওয়া করেন। হিসাব অনুযায়ী প্রতি মিনিটে প্রায় ৪০-৫০টি যানবাহন চলাচল হয়। তবে, ঈদ কিংবা সরকারি কোনো লম্বা ছুটিতে গাড়ির চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

শিমরাইল ও কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডের কয়েকটি টিকিট কাউন্টারের দায়িত্ব নিয়োজিত থাকা স্টাফরা জাগো নিউজকে জানান, লাঙ্গলবন্দ ব্রিজ অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে। প্রায় সময় সেখানে দুর্ঘটনা ঘটে কিংবা ব্রিজটি দিয়ে যানবাহন ধীর গতিতে পারাপারের কারণে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে মানুষকে আটকে থাকতে হচ্ছে। সেতুটি বেশ পুরনো এবং অন্তত এক যুগ ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন। অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও সড়ক বিভাগ পূর্ণ নির্মাণের উদ্যোগ নেননি।

তিনি বলেন, আমরা লাঙ্গলবন্দ উঠার সময়ে লেন পরিবর্তন করতে গিয়ে সরাসরি বড় একটি গর্তে পড়ে যাই। এতে গাড়ি চালানো আমার বন্ধু গুরুতর আহত হন। এটা অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ তাই দ্রুত বিকল্প একটি সেতু নির্মাণ করা দরকার।

নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহিম জাগো নিউজকে বলেন, রোববার থেকে লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হবে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ঝুঁকি এড়াতে আমরা এটি দ্রুত শেষ করবো। এছাড়া স্থায়ী সমাধানের জন্য পাশে আরও একটি নতুন সেতুর নকশা প্রণয়ন চূড়ান্ত হয়েছে।

মো. আকাশ/আরএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow