মহিষ চরাতেও দিতে হয় চাঁদা

পটুয়াখালীর বাউফলে খাসজমিতে মহিষ চরাতে মহিষপ্রতি ২০০ করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাঈনউদ্দিন (২৭) নামের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লালচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটছে বলে দাবি স্থানীয় মহিষ পালনকারীদের। মহিষ পালনকারীদের অভিযোগ, লালচরের খাসজমিতে মহিষ চরাতে হলে প্রতিটি মহিষের জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে ওই এলাকায় মহিষ চরাতে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন পাহাড়ে মুরগি বেচলেও দিতে হয় চাঁদা, বছরে লেনদেন হাজার কোটি টাকা স্থানীয় মহিষ পালনকারী রেজাউল খা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা লালচরের খাসজমিতে মহিষ চরিয়ে আসছেন। সম্প্রতি মাঈনউদ্দিন মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে সেখানে মহিষ চরাতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে স্থানীয় মহিষ পালনকারীরা টাকা দেন। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের বিপরীতে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন চাঁদাবাজি মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও তার সহযোগী কারাগারে আরেক মহিষ পালনকারী ইদ্রিস দালাল বলেন, চরাঞ্চলের খাসজমির ঘাসের ওপর নির্ভর করেই স্থানীয় অনেকে দীর্ঘদিন ধরে

মহিষ চরাতেও দিতে হয় চাঁদা

পটুয়াখালীর বাউফলে খাসজমিতে মহিষ চরাতে মহিষপ্রতি ২০০ করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাঈনউদ্দিন (২৭) নামের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লালচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটছে বলে দাবি স্থানীয় মহিষ পালনকারীদের।

মহিষ পালনকারীদের অভিযোগ, লালচরের খাসজমিতে মহিষ চরাতে হলে প্রতিটি মহিষের জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে ওই এলাকায় মহিষ চরাতে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় মহিষ পালনকারী রেজাউল খা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা লালচরের খাসজমিতে মহিষ চরিয়ে আসছেন। সম্প্রতি মাঈনউদ্দিন মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে সেখানে মহিষ চরাতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে স্থানীয় মহিষ পালনকারীরা টাকা দেন। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের বিপরীতে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আরেক মহিষ পালনকারী ইদ্রিস দালাল বলেন, চরাঞ্চলের খাসজমির ঘাসের ওপর নির্ভর করেই স্থানীয় অনেকে দীর্ঘদিন ধরে মহিষ পালন করছেন। মহিষ চরানোর জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হলে তাদের ব্যয় বেড়ে যায়। এতে মহিষ পালন করে লাভবান হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

অভিযোগের বিষয়ে মাঈনউদ্দিন বলেন, আমি এখন হাসপাতালে আছি রোগী দেখতে। আপনাদের যদি বক্তব্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে হাসপাতালের আসেন। একই সঙ্গে বিষয়টি যাচাই করে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংবাদ প্রকাশের কথা বলেন তিনি।

জানতে চাইলে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow