সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা ৭ দিনের রিমান্ডে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগদানে বাধা দেওয়া, গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা ও হত্যারচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ‘জাল নথি প্রস্তুত ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার’ অভিযোগ রয়েছে এ যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত আদেশটি দেন। এ সময় আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের জোর দাবি জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে বসুন্ধরার বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগদানে বাধা দেওয়া, গুলশানের বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা ও হত্যারচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ‘জাল নথি প্রস্তুত ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার’ অভিযোগ রয়েছে এ যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত আদেশটি দেন।
এ সময় আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের জোর দাবি জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতে গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে বসুন্ধরার বাসা থেকে জগলুল পাশাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ মামলার এজাহারনামীয় ১১১ আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ২৫০/৩০০ জন মারাত্মক অস্ত্র-অস্ত্রশস্ত্রসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে সকাল থেকে অবস্থান করে সারাদিন থাকে। দিনভরর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করে। আসামিরা রাস্তার উপর অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করে রাস্তা বন্ধ করে। জনসাধারণের চলাচলে এবং খালেদা জিয়া যেন সমাবেশে যোগদান করতে না পারেন সেজন্য রাস্তার উপর ত্রাস সৃষ্টি করে। গণতন্ত্র অধিকারকে হরণ করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
কর্মসূচি অনুযায়ী- ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার সময় বেগম খালেদা জিয়া তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে আসামিরা রাস্তায় বাধা দেয় এবং রাস্তার আশেপাশে বালুর ট্রাকসহ বিভিন্ন ট্রাক দিয়ে রাস্তায় বেরিকেট করে।
বেগম খালেদা জিয়া বার বার চেষ্টা করা সত্ত্বেও আসামিরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং হত্যার উদ্দেশ্য নিষিদ্ধ পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে খালেদা জিয়াসহ তার সাথে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সৈয়দ জগলুল পাশা গুলশান থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা, যাত্রাবাড়ী থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পারভেজ হত্যা মামলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’–সংক্রান্ত মামলা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় বিএনপি নেতা আলতাব হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
What's Your Reaction?