মাইন অপসারণ করবে শুধু ইরান, ফ্রান্সকে সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণের কাজে ফ্রান্সের অংশগ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী এ কাজ একমাত্র ইরানই করবে, অন্য কোনো দেশের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। সোমবার (২৯ জুন) এক বক্তব্যে গারিবাবাদি এ মন্তব্য করেন। এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দেন, ওমান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণ এবং নৌপথে নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করবে ফ্রান্স। তবে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণের দায়িত্ব শুধুমাত্র ইরানের। অন্য কোনো দেশকে এ কাজে অংশ নিতে দেওয়া হবে না।” তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি করিডোরে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল। তাই বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। ফ্রান্সকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল না করার জন্য আমরা ফ্রান্সকে জোরালোভাবে পরামর্শ দিচ্ছি।” এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহা

মাইন অপসারণ করবে শুধু ইরান, ফ্রান্সকে সতর্কবার্তা

হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণের কাজে ফ্রান্সের অংশগ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী এ কাজ একমাত্র ইরানই করবে, অন্য কোনো দেশের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না।

সোমবার (২৯ জুন) এক বক্তব্যে গারিবাবাদি এ মন্তব্য করেন। এর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দেন, ওমান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণ এবং নৌপথে নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করবে ফ্রান্স।

তবে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণের দায়িত্ব শুধুমাত্র ইরানের। অন্য কোনো দেশকে এ কাজে অংশ নিতে দেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি করিডোরে বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল। তাই বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। ফ্রান্সকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল না করার জন্য আমরা ফ্রান্সকে জোরালোভাবে পরামর্শ দিচ্ছি।”

এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফও জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী আর কখনও যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে বলে তিনি দাবি করেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের জবাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে ইরান। পরে যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, প্রণালীটির ওপর তাদের সার্বভৌম অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে সব ধরনের শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে আরও আলোচনা চালানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে অন্তত ৬০ দিনের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজের টোলমুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে পূর্ণাঙ্গ নৌযান চলাচল পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে একই সঙ্গে তেহরান জোর দিয়ে বলেছে, প্রণালীটি তাদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হবে।

সূত্র-প্রেসটিভি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow