মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মরগাং খালে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা পর মোহাম্মদ সায়েম (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার নতুন বাস্তপুর শামরার মাঠ সংলগ্ন মরগাং খালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়েম উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। সে দামুড়হুদা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সায়েম তার ছোট চাচা জাকির হোসেনের সঙ্গে ঠেলা জাল নিয়ে মরগাং খালে মাছ ধরতে যায়। এ সময় মাঠ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির প্রবল স্রোতে সে জালসহ খালের পানিতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তার চাচা ও স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সায়েমের কোনো সন্ধান পাননি। পরে খবর পেয়ে দামুড়হুদা ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে প্রাথমিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তারা খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ডুবুরি দল উন্ন
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মরগাং খালে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা পর মোহাম্মদ সায়েম (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার নতুন বাস্তপুর শামরার মাঠ সংলগ্ন মরগাং খালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সায়েম উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। সে দামুড়হুদা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সায়েম তার ছোট চাচা জাকির হোসেনের সঙ্গে ঠেলা জাল নিয়ে মরগাং খালে মাছ ধরতে যায়। এ সময় মাঠ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানির প্রবল স্রোতে সে জালসহ খালের পানিতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তার চাচা ও স্থানীয়রা দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সায়েমের কোনো সন্ধান পাননি।
পরে খবর পেয়ে দামুড়হুদা ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে প্রাথমিক প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তারা খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ডুবুরি দল উন্নত উদ্ধার সরঞ্জামসহ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেয়। এরপর কয়েক ঘণ্টার যৌথ ও টানা অভিযানের পর সন্ধ্যায় সায়েমের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন উদ্ধারকর্মীরা।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন জানান, ডুবুরি দল নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
What's Your Reaction?