মাজারের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে কুকুরের মৃত্যু, তদন্তে কমিটি
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী মাজার প্রাঙ্গণের দিঘিতে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ছায়েব আলী এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, কুকুরটি অসুস্থ ছিল এবং বেশ কয়েকজন দর্শনার্থীকে কামড় দিয়েছিল। একপর্যায়ে কুকুরটি মাজারের দিঘিতে পড়ে গেলে সেখানে থাকা কুমির সেটিক
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী মাজার প্রাঙ্গণের দিঘিতে একটি কুকুরের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ছায়েব আলী এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম। জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কুকুরটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, কুকুরটি অসুস্থ ছিল এবং বেশ কয়েকজন দর্শনার্থীকে কামড় দিয়েছিল। একপর্যায়ে কুকুরটি মাজারের দিঘিতে পড়ে গেলে সেখানে থাকা কুমির সেটিকে আক্রমণ করে। তবে কুকুরটি নিজে পানিতে পড়েছে নাকি কেউ ফেলে দিয়েছে, তা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাজারের ঐতিহ্য ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও নতুন করে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, মাজারের দিঘিতে মানত হিসেবে আসা পশু-পাখি কুমিরকে না দিয়ে একটি চক্র তা আত্মসাৎ করে। এছাড়া দর্শনার্থীদের জিম্মি করে টাকা আদায় ও হয়রানির অভিযোগও দীর্ঘদিনের। তবে মাজারের খাদেমরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে বিভ্রান্তিকর তথ্য হিসেবে দাবি করেছেন।
মাজারের খাদেম মেহেদী হাসান তপু বলেন, ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর। কুকুরটি আগে থেকেই অসুস্থ ছিল এবং মানুষের ওপর আক্রমণ করছিল। কুমিরটি আক্রমণ করলেও পরে সেটি ছেড়ে দেয় এবং পরবর্তীতে মাজারের নিরাপত্তাকর্মীরা মৃত কুকুরটিকে উদ্ধার করে মাটিচাপা দেন।
মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম বলেন, দিঘির কুমিরগুলো ঐতিহ্যবাহী। ২০২৩ সালে একটি কুমির মারা যাওয়ার পর বাকিগুলোকে সুন্দরবনের কুমির প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।