মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করল বাবা 

কুমিল্লার লালমাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের অশান্তি ও হতাশার পরিণতিতে এক বাবা নিজের ছেলেকে হত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা কাজী হিরন তার ছেলে মোহাম্মদ উল্যাহকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোহাম্মদ উল্যাহ ছিলেন কাজী হিরনের সাত সন্তানের একজন। মোহাম্মদ উল্যাহ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তার আচরণ ছিল উচ্ছৃঙ্খল। মাদক সেবনের কারণে তিনি পূর্বে প্রায় তিন মাস কারাভোগও করেন। বিবাহিত হলেও নেশার কারণে তার সংসার টেকেনি। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন তিনি। এমনকি একাধিকবার নিজের বাবার ওপরও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কারণে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে চরম মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিটি সন্তানই পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হলেও মোহাম্মদ উল্যাহর আচরণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তার কারণে পরিবারসহ আশপাশের লোকজন অশান্তিতে দিন কাটাতেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত কাজী হিরন নিজেই

মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করল বাবা 
কুমিল্লার লালমাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের অশান্তি ও হতাশার পরিণতিতে এক বাবা নিজের ছেলেকে হত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা কাজী হিরন তার ছেলে মোহাম্মদ উল্যাহকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোহাম্মদ উল্যাহ ছিলেন কাজী হিরনের সাত সন্তানের একজন। মোহাম্মদ উল্যাহ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তার আচরণ ছিল উচ্ছৃঙ্খল। মাদক সেবনের কারণে তিনি পূর্বে প্রায় তিন মাস কারাভোগও করেন। বিবাহিত হলেও নেশার কারণে তার সংসার টেকেনি। পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন তিনি। এমনকি একাধিকবার নিজের বাবার ওপরও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কারণে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে চরম মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিটি সন্তানই পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হলেও মোহাম্মদ উল্যাহর আচরণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তার কারণে পরিবারসহ আশপাশের লোকজন অশান্তিতে দিন কাটাতেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত কাজী হিরন নিজেই হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে লালমাই থানার কর্মকর্তা (ওসি) নূরুজ্জামান বলেন, নিহত মোহাম্মদ উল্যাহর মরদেহ গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত পিতাকে আইনি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow