মাদকাসক্ত যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে বিপাকে পুলিশ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশের বরমা ইউনিয়ন থেকে মাদকাসক্ত দুই যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে বিপাকে পড়েছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবস ঘিরে নাশকতা চেষ্টার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (০৩ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে তারা বরমা ইউনিয়নে সাংগঠনিক কাজে গেলে সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার জামশেদ (২২) জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে ও নেতা মেহেদী হাসান শিফাত (২৩) কামাল উদ্দিনের ছেলে। তারা দুজনই উপজেলার বরকল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়াবাসহ যুবলীগ কর্মী আটক ক্যাপশনে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের হাতে থাকা কাগজ দেখিয়ে জিজ্ঞেস করছেন এটা কার? তখন রিকশাচালক জবাব দিচ্ছেন যাত্রীদের। তবে ভিডিওতে কাগজ ছাড়া স্পষ্ট কিছুই দেখা যাচ্ছেনা। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার দিয়ে অনেকে জানতে চান তাদের ইয়াবাসহ চালান না দিয়ে শুধু রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কেন? ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিপাকে পড়েছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। ঘটনাস্
চট্টগ্রামের চন্দনাইশের বরমা ইউনিয়ন থেকে মাদকাসক্ত দুই যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে বিপাকে পড়েছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবস ঘিরে নাশকতা চেষ্টার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (০৩ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার রাতে তারা বরমা ইউনিয়নে সাংগঠনিক কাজে গেলে সেখান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার জামশেদ (২২) জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে ও নেতা মেহেদী হাসান শিফাত (২৩) কামাল উদ্দিনের ছেলে। তারা দুজনই উপজেলার বরকল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়াবাসহ যুবলীগ কর্মী আটক ক্যাপশনে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের হাতে থাকা কাগজ দেখিয়ে জিজ্ঞেস করছেন এটা কার? তখন রিকশাচালক জবাব দিচ্ছেন যাত্রীদের। তবে ভিডিওতে কাগজ ছাড়া স্পষ্ট কিছুই দেখা যাচ্ছেনা।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার দিয়ে অনেকে জানতে চান তাদের ইয়াবাসহ চালান না দিয়ে শুধু রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কেন? ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিপাকে পড়েছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা স্থানীয় ইউপি সদস্য হারুনুর রশিদ জানান, আমি গ্রেপ্তার করতে দেখেছি তবে ইয়াবা দেখিনি। যেহেতু গ্রেপ্তার করেছে তাহলে ইয়াবা পেয়েছে বলে ধারণা করেছি। রাজনৈতিক মামলার আসামি তা আমি জানতাম না।
গ্রেপ্তারকারী এস আই নয়ন চক্রবর্তী জানান, ওই কাগজে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া গেছে, তারা ইয়াবা সেবনকারী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পার্শ্ববর্তী ইউপি সদস্য আনিসুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না তবে এলাকাবাসীর মুখে শুনেছি তারা ইয়াবা খেয়েছে, অনেকে আমার বক্তব্য বিকৃত করে তাদের কাছে ইয়াবা ছিল বলেছি বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন ।
চন্দনাইশ থানার ওসি এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, সম্প্রতি চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের অনেকগুলো মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সঙ্গে মিছিলে তারা ছিল এমন ছবি ও ভিডিও পুলিশের কাছে আছে। তারা মিজানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবতায়ন হতে দিব না। ভিডিওটি কেউ না বুঝে শেয়ার দিচ্ছেন বা কেউ পুলিশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে শেয়ার দিচ্ছেন।
What's Your Reaction?