মাদকের বিরুদ্ধে জনতার ‘অভিযান’, আইন হাতে নিতে পুলিশের মানা

ময়মনসিংহের গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইলে প্রশাসনের সহায়তার অপেক্ষা না করে মাদক ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নেমেছে খোদ স্থানীয় জনতা। তবে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে সে বিষয়ে তৎপর থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ। ‘মাদকবিরোধী অভিযানের’ নামে এরই মধ্যে নান্দাইলের চিহ্নিত মাদক কারবারি আমীন ও ছামিলার বাড়ি ভাঙচুর করে তাদের এলাকাছাড়া করেছে স্থানীয়রা। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি, একজনের অপরাধের দায়ে পুরো পরিবার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন পাঞ্জু মিয়ার ছেলে আমীন মিয়া ও তার স্ত্রী ছামিলা খাতুন। একাধিকবার সতর্ক করার পরও তারা কার্যক্রম বন্ধ না করায় স্থানীয় যুবসমাজ তাদের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং পরিবারটিকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব অভিযানের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। বাড়িঘর ভাঙচুর, সালিশ বৈঠকে প্রকাশ্যে পিটুনি আবার কোথাও মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্তদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা

মাদকের বিরুদ্ধে জনতার ‘অভিযান’, আইন হাতে নিতে পুলিশের মানা

ময়মনসিংহের গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইলে প্রশাসনের সহায়তার অপেক্ষা না করে মাদক ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নেমেছে খোদ স্থানীয় জনতা। তবে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে সে বিষয়ে তৎপর থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

‘মাদকবিরোধী অভিযানের’ নামে এরই মধ্যে নান্দাইলের চিহ্নিত মাদক কারবারি আমীন ও ছামিলার বাড়ি ভাঙচুর করে তাদের এলাকাছাড়া করেছে স্থানীয়রা। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি, একজনের অপরাধের দায়ে পুরো পরিবার ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন পাঞ্জু মিয়ার ছেলে আমীন মিয়া ও তার স্ত্রী ছামিলা খাতুন। একাধিকবার সতর্ক করার পরও তারা কার্যক্রম বন্ধ না করায় স্থানীয় যুবসমাজ তাদের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং পরিবারটিকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব অভিযানের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। বাড়িঘর ভাঙচুর, সালিশ বৈঠকে প্রকাশ্যে পিটুনি আবার কোথাও মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্তদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বিজয় ভুঁইয়া বলেন, ‘তাদের কারণে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। আমীন মিয়া এলাকায় মাদকের ডিলার হিসেবে পরিচিত, আর তার স্ত্রী ছামিলা খাতুনকে অনেকে মাদক সম্রাজ্ঞী বলে চেনে। এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে তাদের উচ্ছেদ করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।’

মাদকবিরোধী এসব ‘অভিযানে’ নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেফতার করলেও তারা জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ফলে এলাকার তরুণ সমাজকে রক্ষার স্বার্থে জনগণ নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ওসিদের নির্দেশ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশকে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

হোসাইন সুলভ/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow