মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ছাত্রদল নেতাসহ আহত ৫

মাদক বেচাকেনায় বাধা ও আটক মাদক ব্যবসায়ীদের পুলিশে হস্তান্তরের চেষ্টাকালে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার পাঁচঘড়িকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহত ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদল সভাপতি আশরাফুল আরেফীন নিরব জানান, পাঁচঘড়িয়াকান্দি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে মাদক বেচাকেনা চলছে। মাদক প্রতিরোধে গত সপ্তাহে তারা এলাকায় বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন, টিটুসহ ৪ জন মাদকব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটকদের পুলিশে দেওয়ার জন্য থানায় নেওয়ার পথে চেষ্টকালে স্থানীয় জীবন কমিশনারের ভাই শিপু, নুরুদ্দিন, জুয়েল, আসলাম, মাইজ্জা, শুভ, লিটন সজীবসহ ১০-১৫ জন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।  এ সময় কবীর চৌধুরী নামে বিএনপির এক কর্মীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় এবং মাথায় রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। আহত কবীর চৌধুরী জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা আমাকে হত্যাচেষ্টা করে। এ বিষয়ে জীবন কমিশনার জানান, মাদক নিয়ে তাদের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব মারামারি হয়। এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে আটকদের পুলিশ ডেকে এনে হস্তান্তর ক

মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ছাত্রদল নেতাসহ আহত ৫
মাদক বেচাকেনায় বাধা ও আটক মাদক ব্যবসায়ীদের পুলিশে হস্তান্তরের চেষ্টাকালে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার পাঁচঘড়িকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহত ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদল সভাপতি আশরাফুল আরেফীন নিরব জানান, পাঁচঘড়িয়াকান্দি গ্রামে দীর্ঘ দিন ধরে মাদক বেচাকেনা চলছে। মাদক প্রতিরোধে গত সপ্তাহে তারা এলাকায় বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুমন, টিটুসহ ৪ জন মাদকব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটকদের পুলিশে দেওয়ার জন্য থানায় নেওয়ার পথে চেষ্টকালে স্থানীয় জীবন কমিশনারের ভাই শিপু, নুরুদ্দিন, জুয়েল, আসলাম, মাইজ্জা, শুভ, লিটন সজীবসহ ১০-১৫ জন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।  এ সময় কবীর চৌধুরী নামে বিএনপির এক কর্মীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় এবং মাথায় রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। আহত কবীর চৌধুরী জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা আমাকে হত্যাচেষ্টা করে। এ বিষয়ে জীবন কমিশনার জানান, মাদক নিয়ে তাদের দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব মারামারি হয়। এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে আটকদের পুলিশ ডেকে এনে হস্তান্তর করা উচিত ছিল। তার ভাই শিপু কোনো মাদক ব্যবসায়ী নন এবং শিপু মারামারি বন্ধ করতে গিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে, এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতা আশরাফুল আরেফীন নিরব বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।  মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow