মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে আবাসিক মাদরাসায় ১১ বছর বয়সি এক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হাবিবুল্লাহ (২৫) নামে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের দোখলা পাড়া গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি দলদলিয়া ইউনিয়নের ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। ভুক্ত‌ভোগী পরিবারের অভিযোগ, শিশু‌টি ওই মাদরাসায় আবাসিক থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে পড়াশোনা শেষে শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আড়াইটার দি‌কে অভিযুক্ত শিক্ষক শিশু‌টিকে নিজের বিছানায় নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করেন ব‌লে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনা কাউকে জানালে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ‌শিশু‌টির মা জানান, বুধবার (১২ আগস্ট) ভোরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে তাকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা দেন। এ ঘটনায় শিশু‌টির মা উলিপুর থানায় অভিযোগ দি‌লে পু‌লিশ মাদরাসা থেকে হাবিবুল্লাহকে আটক করে। এদিকে শিক্ষককে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মাদরাসার সামনে জড়ো হন। এসময়

মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, শিক্ষক আটক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে আবাসিক মাদরাসায় ১১ বছর বয়সি এক শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হাবিবুল্লাহ (২৫) নামে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের দোখলা পাড়া গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি দলদলিয়া ইউনিয়নের ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন।

ভুক্ত‌ভোগী পরিবারের অভিযোগ, শিশু‌টি ওই মাদরাসায় আবাসিক থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে পড়াশোনা শেষে শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আড়াইটার দি‌কে অভিযুক্ত শিক্ষক শিশু‌টিকে নিজের বিছানায় নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করেন ব‌লে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনা কাউকে জানালে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‌শিশু‌টির মা জানান, বুধবার (১২ আগস্ট) ভোরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে তাকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চিকিৎসা দেন।

এ ঘটনায় শিশু‌টির মা উলিপুর থানায় অভিযোগ দি‌লে পু‌লিশ মাদরাসা থেকে হাবিবুল্লাহকে আটক করে।

এদিকে শিক্ষককে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মাদরাসার সামনে জড়ো হন। এসময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের উপস্থিতিতে ওই শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক ব‌লেন, অভি‌যোগ পাওয়ার পর ওই শিক্ষক‌কে আটক করা হ‌য়ে‌ছে। এ বিষ‌য়ে আইনগত ব‌্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রোকনুজ্জামান মানু/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow