মাদরাসা পরিচালকের জেল, জমি বেচে ভুক্তভোগীকে দিতে হবে জরিমানার টাকা

ফরিদপুর শহরে ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার দায়ে আশরাফ আলী (৪৬) নামের এক মাদরাসার পরিচালককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ আলী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লায় অবস্থিত রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদরাসার পরিচালক এবং ওই মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসার একটি কক্ষে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করত। সে হেফজখানার শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ আলী। এ ঘটনার ১৭ দিন পর মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। তখন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও পরে তিনি

মাদরাসা পরিচালকের জেল, জমি বেচে ভুক্তভোগীকে দিতে হবে জরিমানার টাকা

ফরিদপুর শহরে ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার দায়ে আশরাফ আলী (৪৬) নামের এক মাদরাসার পরিচালককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জরিমানার অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফ আলী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লায় অবস্থিত রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদরাসার পরিচালক এবং ওই মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসার একটি কক্ষে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট মহল্লার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করত। সে হেফজখানার শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ আলী। এ ঘটনার ১৭ দিন পর মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা। তখন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও পরে তিনি ছাড়া পান। এরপর মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন মাদ্রাসা পরিচালক আশরাফ আলীকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, আদালত জরিমানার ৭০ হাজার টাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আসামির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে।

এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow