মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
দিনাজপুরের হিলিতে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে হিলি পৌর এলাকার বৈগ্রাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার সাজ্জাদ হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে এবং সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী দাদা হন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। রোববার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাসায় যাচ্ছিল শিশুটি। পথে প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। পরে সাজ্জাদ তাকে কোনো খাবার না দিয়েই ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দিলে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে পুনরায় মাদ্রাসায় চলে যায়।
তিনি জানান, মাদ্রাসায় পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় শিক্ষকরা শিশুটির কাছে কারণ জান
দিনাজপুরের হিলিতে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে হিলি পৌর এলাকার বৈগ্রাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার সাজ্জাদ হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে এবং সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী দাদা হন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। রোববার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাসায় যাচ্ছিল শিশুটি। পথে প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। পরে সাজ্জাদ তাকে কোনো খাবার না দিয়েই ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দিলে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে পুনরায় মাদ্রাসায় চলে যায়।
তিনি জানান, মাদ্রাসায় পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় শিক্ষকরা শিশুটির কাছে কারণ জানতে চাইলে সে ভয়ে ও লজ্জায় কোনো কথা বলতে পারছিল না। এ সময় একই মাদ্রাসায় পড়ুয়া অন্য এক সহপাঠী শিক্ষকদের পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরবর্তীতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির পরিবারকে বিষয়টি অবহিত করে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করে জবানবন্দি ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে।