মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অটোরিকশাচাপায় প্রাণ গেল শিশুর

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশাচাপায় সালমান ফার্সি নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সালমান ফার্সি (৭) উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মো. সাইদুল ইসলামে ছেলে। সে হাজি মদন আকন নুরানি তালিমুল কোরআন মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র।  প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। শিশুটি বাসা থেকে বের হয়ে মাদ্রাসার সামনে সড়ক পারাপারের সময় দুটি অটোরিকশা ওভারটেক করতে গেলে একটি অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনায় শিশুটি মারাত্মকভাবে আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  ঘটনার পর ঘাতক অটোরিকশাটি নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। ছোট্ট শিশু সালমানের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও এলাকায় ও মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল

মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অটোরিকশাচাপায় প্রাণ গেল শিশুর
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশাচাপায় সালমান ফার্সি নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সালমান ফার্সি (৭) উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মো. সাইদুল ইসলামে ছেলে। সে হাজি মদন আকন নুরানি তালিমুল কোরআন মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র।  প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। শিশুটি বাসা থেকে বের হয়ে মাদ্রাসার সামনে সড়ক পারাপারের সময় দুটি অটোরিকশা ওভারটেক করতে গেলে একটি অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনায় শিশুটি মারাত্মকভাবে আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  ঘটনার পর ঘাতক অটোরিকশাটি নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। ছোট্ট শিশু সালমানের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও এলাকায় ও মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেয়। ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow