মানি লন্ডারিং মামলায় কক্সবাজারের ভূমি দালালকে ৭ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় আবদুল গফুর (৫৬) নামে কক্সবাজারের ভূমি দালালকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের এক আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুুর রহমান এ রায় দেন। একই রায়ের আদেশে তাকে এক কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৬০৫ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতে দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন। দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল গফুর কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন পালাকাটা গ্রামের প্রয়াত আবু তালেবের ছেলে। মামলার পর থেকে আসামি আদালতে হাজির হননি এবং রায় ঘোষণার সময়েও উপস্থিত ছিলেন না। গ্রেফতার কিংবা আদালতে আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে রায় কার্যকর হবে বলে জানান পিপি অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন। আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল গফুর ৬৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মানিলন্ডারিং করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই সময়ের দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বাদী হয়ে নগরীর কোতোয়ালি থানায়

মানি লন্ডারিং মামলায় কক্সবাজারের ভূমি দালালকে ৭ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় আবদুল গফুর (৫৬) নামে কক্সবাজারের ভূমি দালালকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের এক আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুুর রহমান এ রায় দেন।

একই রায়ের আদেশে তাকে এক কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৬০৫ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতে দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল গফুর কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন পালাকাটা গ্রামের প্রয়াত আবু তালেবের ছেলে। মামলার পর থেকে আসামি আদালতে হাজির হননি এবং রায় ঘোষণার সময়েও উপস্থিত ছিলেন না। গ্রেফতার কিংবা আদালতে আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে রায় কার্যকর হবে বলে জানান পিপি অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন।

আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল গফুর ৬৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মানিলন্ডারিং করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই সময়ের দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বাদী হয়ে নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এমডিআইএইচ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow