মানুষের হাত-পায়ের আকৃতির মেটে আলু, জনমনে কৌতূহল
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের কালিয়ারছড়া গ্রামে পাওয়া গেছে এক বিস্ময়কর আকৃতির মেটে আলু। যার গঠন অনেকটা মানুষের হাত ও পায়ের মতো। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কালিয়ারছড়া গ্রামের কৃষক সাদ্দাম মিয়ার বাড়ির আঙিনা থেকে আলুটি তোলা হয়। অদ্ভূত আকৃতির আলুটির ওজন প্রায় ২০ কেজি। আলুটির আকার এতটাই বিশাল এবং গঠন এতটাই ব্যতিক্রমী যে, প্রথম দেখাতেই তিনি হতবাক হয়ে যান। পরে তিনি বিষয়টি পরিবার ও প্রতিবেশীদের জানান। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আলুটির কিছু অংশ দেখতে মানুষের হাতের আঙুলের মতো, আবার কিছু অংশ পায়ের আকৃতির সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে। এই অস্বাভাবিক গঠনের কারণে অনেকেই এটিকে প্রকৃতির এক বিরল সৃষ্টি বলে মনে করছেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে কৃষক সাদ্দাম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি বলেন, ‘ব্যতিক্রমী এই আলু পেয়ে আমি ও আমার পরিবার খুবই আনন্দিত এবং কিছুটা বিস্মিতও। আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি যে, আমাদের উঠানের মাটিতে এমন কিছু থাকতে পারে। আলুটির আকৃতি দেখে প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। পরে সবাই এসে দেখার পর
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের কালিয়ারছড়া গ্রামে পাওয়া গেছে এক বিস্ময়কর আকৃতির মেটে আলু। যার গঠন অনেকটা মানুষের হাত ও পায়ের মতো। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কালিয়ারছড়া গ্রামের কৃষক সাদ্দাম মিয়ার বাড়ির আঙিনা থেকে আলুটি তোলা হয়। অদ্ভূত আকৃতির আলুটির ওজন প্রায় ২০ কেজি।
আলুটির আকার এতটাই বিশাল এবং গঠন এতটাই ব্যতিক্রমী যে, প্রথম দেখাতেই তিনি হতবাক হয়ে যান। পরে তিনি বিষয়টি পরিবার ও প্রতিবেশীদের জানান। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আলুটির কিছু অংশ দেখতে মানুষের হাতের আঙুলের মতো, আবার কিছু অংশ পায়ের আকৃতির সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে। এই অস্বাভাবিক গঠনের কারণে অনেকেই এটিকে প্রকৃতির এক বিরল সৃষ্টি বলে মনে করছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে কৃষক সাদ্দাম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি বলেন, ‘ব্যতিক্রমী এই আলু পেয়ে আমি ও আমার পরিবার খুবই আনন্দিত এবং কিছুটা বিস্মিতও। আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি যে, আমাদের উঠানের মাটিতে এমন কিছু থাকতে পারে। আলুটির আকৃতি দেখে প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। পরে সবাই এসে দেখার পর বুঝলাম এটি সত্যিই এক ধরনের প্রকৃতির বিস্ময়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম কবীর বলেন, ‘মাটির গঠন, আর্দ্রতা ও দীর্ঘসময়ের বৃদ্ধির কারণে মেটে আলুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও আকৃতিগত পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে। কারণ এই জাতের আলুর নির্দিষ্ট আকার থাকে না।’
আনোয়ার আল শামীম/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?