মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু

মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু। আজ সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১টায় গুলশানে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।  জাহানারা আরজু ১৯৩২ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আফিল উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী ও মা খোদেজা খাতুন। তিনি পড়াশোনা করেন মানিকগঞ্জে। পরে তিনি ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন। জাহানারা আরজু ছিলেন একজন কবি এবং সাহিত্য সম্পাদক। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মহিলা সাপ্তাহিক সুলতানা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ২য় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকসহ ২৬টি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। জাহানারা আরজু সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি এ কে এম নূরুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মো. আশফাকুল ইসলাম হাইকোর্ট বিভাগের বর্তমান বিচারপতি। ছোট ছেলে মোহাম্মদ জাহিনুল ইসলাম একজন প্রকৌশলী। একমাত্র মেয়ে মিনারা জামান একজন অধ্যাপিকা। ১৯৪৯ সাল থেকে কবি সুফিয়া কামাল এবং তিনি একসাথে পত্রিকা সম

মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু
মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু। আজ সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১টায় গুলশানে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।  জাহানারা আরজু ১৯৩২ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আফিল উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী ও মা খোদেজা খাতুন। তিনি পড়াশোনা করেন মানিকগঞ্জে। পরে তিনি ঢাকার ইডেন মহিলা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন। জাহানারা আরজু ছিলেন একজন কবি এবং সাহিত্য সম্পাদক। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মহিলা সাপ্তাহিক সুলতানা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ২য় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকসহ ২৬টি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। জাহানারা আরজু সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি এ কে এম নূরুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মো. আশফাকুল ইসলাম হাইকোর্ট বিভাগের বর্তমান বিচারপতি। ছোট ছেলে মোহাম্মদ জাহিনুল ইসলাম একজন প্রকৌশলী। একমাত্র মেয়ে মিনারা জামান একজন অধ্যাপিকা। ১৯৪৯ সাল থেকে কবি সুফিয়া কামাল এবং তিনি একসাথে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। পরে তিনি ১৯৬৫ সালে রাইটার্স গিল্ডের পত্রিকা পরিক্রমের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। এছাড়া টিবি অ্যাসোসিয়েশনের পাক্ষিক হেলথ বুলেটিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ছিলেন। তিনি সেতুবন্ধন নামে একটি সাহিত্য পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow