মার্কিন ঘাঁটির আকাশে রহস্যজনক বস্তুর আনাগোনা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ করা নতুন ইউএফওসংক্রান্ত নথিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির আকাশে বিশাল ত্রিভুজাকৃতির রহস্যময় একটি বস্তু দেখা যাওয়ার দাবি উঠে এসেছে। নতুন প্রকাশিত পেন্টাগনসংক্রান্ত নথির পঞ্চম দফায় বেশ কিছু পুরোনো প্রতিবেদন ও ভিডিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খবর যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের।
নথিতে উল্লেখ করা সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি আফগানিস্তানের বাগরাম এয়ারফিল্ডকে ঘিরে। ২০০২ সালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এক পাইলটের দাবি, তিনি আরেক পাইলটের সঙ্গে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। হঠাৎ তাদের মাথার ওপরের আকাশ থেকে একে একে তারাগুলো আড়াল হতে শুরু করে।
এফবিআইয়ের নথিতে ওই পাইলটের বক্তব্যের সারাংশ অনুযায়ী, তিনি মনে করেছিলেন বিশাল কোনো বস্তু তাদের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। বস্তুটিকে সমবাহু ত্রিভুজের মতো দেখতে এবং প্রায় ৫০০ ফুট আকারের বলে বর্ণনা করা হয়। কোনো দৃশ্যমান আলো বা শব্দ ছাড়াই এটি স্থির উচ্চতা ও গতিতে আকাশ অতিক্রম করেছিল বলে দাবি করেন ওই পাইলট। তার অনুমান অনুযায়ী, বস্তুটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৭৩ মাইল।
নতুন নথিতে আরও একটি রহস্যময় ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬৩ সালে ব্রাজি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ করা নতুন ইউএফওসংক্রান্ত নথিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির আকাশে বিশাল ত্রিভুজাকৃতির রহস্যময় একটি বস্তু দেখা যাওয়ার দাবি উঠে এসেছে। নতুন প্রকাশিত পেন্টাগনসংক্রান্ত নথির পঞ্চম দফায় বেশ কিছু পুরোনো প্রতিবেদন ও ভিডিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খবর যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারের।
নথিতে উল্লেখ করা সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি আফগানিস্তানের বাগরাম এয়ারফিল্ডকে ঘিরে। ২০০২ সালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এক পাইলটের দাবি, তিনি আরেক পাইলটের সঙ্গে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। হঠাৎ তাদের মাথার ওপরের আকাশ থেকে একে একে তারাগুলো আড়াল হতে শুরু করে।
এফবিআইয়ের নথিতে ওই পাইলটের বক্তব্যের সারাংশ অনুযায়ী, তিনি মনে করেছিলেন বিশাল কোনো বস্তু তাদের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। বস্তুটিকে সমবাহু ত্রিভুজের মতো দেখতে এবং প্রায় ৫০০ ফুট আকারের বলে বর্ণনা করা হয়। কোনো দৃশ্যমান আলো বা শব্দ ছাড়াই এটি স্থির উচ্চতা ও গতিতে আকাশ অতিক্রম করেছিল বলে দাবি করেন ওই পাইলট। তার অনুমান অনুযায়ী, বস্তুটির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৭৩ মাইল।
নতুন নথিতে আরও একটি রহস্যময় ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬৩ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে একটি বড় ধাতব গোলক আছড়ে পড়ার দাবি করা হয়। ঘটনাটিতে মাটিতে প্রায় ১৩ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
দাবি অনুযায়ী, গোলকটির বাইরের অংশে জানালার মতো কাঠামো ছিল এবং ভেতরে ভারী পোশাক পরা একটি মানবদেহ পাওয়া যায়। বস্তুটির ভেতরে থাকা কিছু লেখা বা চিহ্নের অর্থও উদ্ধার করা যায়নি বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব নথির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা রয়েছে। এফবিআইয়ের রেকর্ডগুলো মূলত প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও তৎকালীন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সংকলন। এগুলো কোনো ঘটনার সরকারি বা বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাইকৃত প্রমাণ নয়। নথিগুলোতেও এসব রহস্যময় বস্তু ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনের তৈরি এমন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
সূত্র: যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার