মালয়েশিয়ার পেরাকে ‘অমনিপ্রেজেন্স’ অভিযান

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) পেরাক রাজ্যে ‘অমনিপ্রেজেন্স’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কিন্টা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদেশিদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। গতকাল ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানে মোট ১০৫ জন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা হয়। পেরাক ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। এতে নয়জন এনফোর্সমেন্ট (প্রয়োগকারী) কর্মকর্তা অংশ নেন এবং পূর্বনির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। তিনি বলেন, ‘অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈধ কাগজপত্রবিহীন বিদেশিদের শনাক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের ইমিগ্রেশন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা।’ অভিযানের সময় মোট ১০৫ জনকে যাচাই-বাছাই করা হয়। তবে এর মধ্যে কাগজপত্রবিহীন কতজনকে আটক করা হয়েছে তা জানা যায়নি। ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, দেশে অবস্থানরত বিদেশিরা প্রচলিত আইন মেনে চলছে কি না অভিযানে তা নিশ্চিত করা যায়। জেমস লি আরও জানান, ঈদুল ফিতর উৎসবে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে, বি

মালয়েশিয়ার পেরাকে ‘অমনিপ্রেজেন্স’ অভিযান

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) পেরাক রাজ্যে ‘অমনিপ্রেজেন্স’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কিন্টা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদেশিদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। গতকাল ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানে মোট ১০৫ জন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা হয়।

পেরাক ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। এতে নয়জন এনফোর্সমেন্ট (প্রয়োগকারী) কর্মকর্তা অংশ নেন এবং পূর্বনির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়।

তিনি বলেন, ‘অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বৈধ কাগজপত্রবিহীন বিদেশিদের শনাক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের ইমিগ্রেশন আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা।’

অভিযানের সময় মোট ১০৫ জনকে যাচাই-বাছাই করা হয়। তবে এর মধ্যে কাগজপত্রবিহীন কতজনকে আটক করা হয়েছে তা জানা যায়নি। ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, দেশে অবস্থানরত বিদেশিরা প্রচলিত আইন মেনে চলছে কি না অভিযানে তা নিশ্চিত করা যায়।

জেমস লি আরও জানান, ঈদুল ফিতর উৎসবে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে।

তিনি আরও বলেন, আইন কঠোরভাবে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেআইএম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow