মালয়েশিয়ায় আজীবন নিষেধাজ্ঞা পেলেন ৫৯ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন থেকে কালো তালিকাভুক্ত করে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১৮৪ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আইনভঙ্গের দায়ে সাজাভোগ শেষে তাদের এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ইমিগ্রেশন বিভাগ। ফেরত পাঠানো বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন- ইন্দোনেশিয়ার ৮২ জন, বাংলাদেশের ৫৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫ জন, পাকিস্তানের ১০ জন, মিয়ানমারের ৮ জন, কম্বোডিয়ার ৪ জন, শ্রীলঙ্কার দুইজন এবং সুদান, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ভিয়েতনামের একজন করে নাগরিক। তাদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ ১ ও ২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়। প্রত্যাবাসিত সকল বন্দির কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। যাদের প্রয়োজন হয়েছে, তাদের নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, এসব বন্দিদের নির্যাতন আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগের পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রত্যাবাসিত

মালয়েশিয়ায় আজীবন নিষেধাজ্ঞা পেলেন ৫৯ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন থেকে কালো তালিকাভুক্ত করে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১৮৪ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আইনভঙ্গের দায়ে সাজাভোগ শেষে তাদের এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

ফেরত পাঠানো বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন- ইন্দোনেশিয়ার ৮২ জন, বাংলাদেশের ৫৯ জন, ফিলিপাইনের ১৫ জন, পাকিস্তানের ১০ জন, মিয়ানমারের ৮ জন, কম্বোডিয়ার ৪ জন, শ্রীলঙ্কার দুইজন এবং সুদান, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ভিয়েতনামের একজন করে নাগরিক।

তাদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ ১ ও ২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়। প্রত্যাবাসিত সকল বন্দির কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। যাদের প্রয়োজন হয়েছে, তাদের নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করা হয়েছে।

jagonews24

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, এসব বন্দিদের নির্যাতন আইন (অ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (অ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (অ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগের পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে ইমিগ্রেশন বিভাগের ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে।

ডিপোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম- যেমন টিকিট ক্রয়সহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া- পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপোর সার্ভিস কাউন্টারে সম্পন্ন করা যায় এবং এক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত ‘সার্ভিস চার্জ’ প্রযোজ্য নয়।

এ বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য ডিআইপিএন রেকর্ডস অ্যান্ড ট্রান্সফার ইউনিটে ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান পদ্ধতির (এসপিও) মাধ্যমে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়ায় আইনশৃঙ্খলা ও সীমান্ত সুরক্ষা জোরদারে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow