মালয়েশিয়ায় কারখানা বন্ধ, চাকরি হারালেন ১৪২৬ শ্রমিক

মালয়েশিয়ার সেপাং এলাকায় একটি গ্লাভস উৎপাদনকারী কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোট ১ হাজার ৪২৬ জন শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৩০৪ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। সরকারি সংবাদ বার্নামার খবরে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে উপদ্বীপ মালয়েশিয়ার শ্রম বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডব্লিউআরপি এশিয়া প্যাসিফিক এসডিএন বিএইচডি-এর কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানায়, ১৭ এপ্রিল পরিচালিত তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কোম্পানিটি একজন লিকুইডেটর (সম্পদ ব্যবস্থাপক) নিয়োগ দিয়েছে এবং ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকরভাবে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ দিয়েছে। এ বিষয়ে ১৭ এপ্রিল শ্রম বিভাগ, লিকুইডেটর, সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থা এবং পুলিশের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শ্রমিকদের বেতন, সুবিধা, বকেয়া পাওনা এবং অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রমিকদের বেতন ও ছাঁটাইজনিত সব দাবি নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ‘প্রুফ অব

মালয়েশিয়ায় কারখানা বন্ধ, চাকরি হারালেন ১৪২৬ শ্রমিক

মালয়েশিয়ার সেপাং এলাকায় একটি গ্লাভস উৎপাদনকারী কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোট ১ হাজার ৪২৬ জন শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৩০৪ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

সরকারি সংবাদ বার্নামার খবরে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে উপদ্বীপ মালয়েশিয়ার শ্রম বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ডব্লিউআরপি এশিয়া প্যাসিফিক এসডিএন বিএইচডি-এর কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, ১৭ এপ্রিল পরিচালিত তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কোম্পানিটি একজন লিকুইডেটর (সম্পদ ব্যবস্থাপক) নিয়োগ দিয়েছে এবং ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকরভাবে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে ১৭ এপ্রিল শ্রম বিভাগ, লিকুইডেটর, সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থা এবং পুলিশের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শ্রমিকদের বেতন, সুবিধা, বকেয়া পাওনা এবং অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

jagonews24

বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রমিকদের বেতন ও ছাঁটাইজনিত সব দাবি নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ‘প্রুফ অব ডেট’ ফর্ম জমা দেওয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের বেতন এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে, আর এপ্রিল মাসের বেতন চূড়ান্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, কিছু স্থানীয় কর্মীকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে নথি সংরক্ষণ, আর্থিক কার্যক্রম এবং কারখানার সম্পদ ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত প্রযুক্তিগত দায়িত্ব।

অন্যদিকে, বিদেশি শ্রমিকদের কল্যাণের বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আবাসন ও খাদ্যের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে নিয়োগকর্তা পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কারখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow