মালয়েশিয়ায় জাতীয় তিলাওয়াত ও হিফজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম উম্মাহর ঈমান, বিবেক ও সচেতনতা রক্ষায় আল-কুরআন এখনো প্রধান ভিত্তি হিসেবে অটুট রয়েছে। তিনি বলেন, উম্মাহর স্বকীয়তা রক্ষার প্রচেষ্টা কেবল ধর্মীয় অনুশীলনের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না; বরং তা সমসাময়িক জ্ঞান ও প্রযুক্তির দক্ষতার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তার মতে, আল-কুরআনের শিক্ষা শুধু তিলাওয়াত বা পাঠে সীমাবদ্ধ না থেকে এমন এক নতুন চিন্তাধারায় রূপ নিতে হবে, যা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে এবং জ্ঞানী ও নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজ গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, আমরা যদি উম্মাহর শক্তি অটুট রাখতে চাই, তবে তা ইসলামী চেতনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলতে হবে, যা জ্ঞান দ্বারা সুদৃঢ় এবং আধুনিক প্রযুক্তির দক্ষতায় সমর্থিত হবে। ‘‌আল-কুরআনের তিলাওয়াত ও পাঠ যেন রাষ্ট্রে নতুন চিন্তাধারা নির্মাণে ভূমিকা রাখে।’ সোমবার ১৩ এপ্রিল, জাতীয় পর্যায়ের মাজলিস তিলাওয়াহ দান হাফাজান আল-কুরআন পেরিঙ্গকাত কেবাংসান ২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্

মালয়েশিয়ায় জাতীয় তিলাওয়াত ও হিফজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মুসলিম উম্মাহর ঈমান, বিবেক ও সচেতনতা রক্ষায় আল-কুরআন এখনো প্রধান ভিত্তি হিসেবে অটুট রয়েছে।

তিনি বলেন, উম্মাহর স্বকীয়তা রক্ষার প্রচেষ্টা কেবল ধর্মীয় অনুশীলনের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না; বরং তা সমসাময়িক জ্ঞান ও প্রযুক্তির দক্ষতার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

তার মতে, আল-কুরআনের শিক্ষা শুধু তিলাওয়াত বা পাঠে সীমাবদ্ধ না থেকে এমন এক নতুন চিন্তাধারায় রূপ নিতে হবে, যা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে এবং জ্ঞানী ও নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজ গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, আমরা যদি উম্মাহর শক্তি অটুট রাখতে চাই, তবে তা ইসলামী চেতনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলতে হবে, যা জ্ঞান দ্বারা সুদৃঢ় এবং আধুনিক প্রযুক্তির দক্ষতায় সমর্থিত হবে।

‘‌আল-কুরআনের তিলাওয়াত ও পাঠ যেন রাষ্ট্রে নতুন চিন্তাধারা নির্মাণে ভূমিকা রাখে।’

সোমবার ১৩ এপ্রিল, জাতীয় পর্যায়ের মাজলিস তিলাওয়াহ দান হাফাজান আল-কুরআন পেরিঙ্গকাত কেবাংসান ২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর মতো প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যেন উন্নয়ন সঠিক পথে পরিচালিত হয়।

তার ভাষায়, এর অর্থ হলো, আল-কুরআনভিত্তিক ইসলামী চেতনা বজায় রেখে তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই-সহ নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করা।

jagonews24

‘নৈতিকতা, জ্ঞানবোধ ও মূল্যবোধ ছাড়া কোনো জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়।’

এদিকে, ছয় দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে, যেখানে সারাদেশ থেকে মোট ১০৮ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ১৪ জন কারি, ১৪ জন কারিয়াহ এবং ৮০ জন হিফজ প্রতিযোগী, যারা ১০, ২০ ও ৩০ পারা তিলাওয়াত ও তাফসির বিভাগে প্রতিযোগিতা করছেন।

এবারের আয়োজনে নতুনত্ব হিসেবে ই-এম-টি-এইচ-কিউ সিস্টেমকে প্রতিযোগিতা ব্যবস্থাপনার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘ইবরাহ’ পর্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিরও প্রয়োগ করা হয়েছে।

এছাড়া, গুণগত মানসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে ‘মডিউল কম্পিটেন্সি পেলাপিস’ প্রকল্পের অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বিচারকমণ্ডলীও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow