মালয়েশিয়ায় জ্বালানি তেলের পাহারায় পাম্পে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি পাচার রোধে মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী ৮০টিরও বেশি পেট্রোল স্টেশনে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। মালয়েশিয়ার রাস্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘বারনামা’ সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পাচারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেছেন, সীমান্তবর্তী পেট্রোল স্টেশনগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি স্থায়ী নয়। বর্তমান সংকট পরিস্থিতি কেটে গেলে এ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পদাং বেসারে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, কোয়ারেন্টাইন ও নিরাপত্তা (আইসিকিউএস) কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছিলেন, সীমান্তবর্তী পেট্রোল স্টেশনগুলোতে একাধিক গ্রেফতার অভিযানের তথ্য পর্যালোচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কেদাহ, পারলিস ও পেরাকসহ জেনারেল অপারেশন ফোর্সের নর্দান ব্রিগেডের আওতাধীন এলাক

মালয়েশিয়ায় জ্বালানি তেলের পাহারায় পাম্পে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি পাচার রোধে মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী ৮০টিরও বেশি পেট্রোল স্টেশনে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

মালয়েশিয়ার রাস্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘বারনামা’ সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পাচারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেছেন, সীমান্তবর্তী পেট্রোল স্টেশনগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি স্থায়ী নয়। বর্তমান সংকট পরিস্থিতি কেটে গেলে এ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) পদাং বেসারে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, কোয়ারেন্টাইন ও নিরাপত্তা (আইসিকিউএস) কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছিলেন, সীমান্তবর্তী পেট্রোল স্টেশনগুলোতে একাধিক গ্রেফতার অভিযানের তথ্য পর্যালোচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত কেদাহ, পারলিস ও পেরাকসহ জেনারেল অপারেশন ফোর্সের নর্দান ব্রিগেডের আওতাধীন এলাকায় জ্বালানি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত পণ্য পাচারের মোট ৭৩৫টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে, যার জব্দকৃত পণ্যের মূল্য ২.৮১ বিলিয়ন রিঙ্গিত। এছাড়া এসব ঘটনায় এক হাজার ৪৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow