মালয়েশিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে বিশ্বের শান্তি কামনা মেনাজাত
বাংলাদেশসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে দেশটির জাতীয় মসজিদে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ঈদের নামাজে অংশগ্রহন করেন। নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র গুলোতে শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এটি। প্রবাসে থেকে একমাস রোজা রাখা ও ঈদ পালন করা প্রবাসীদের ধর্মীয় দায়িত্বের পাশাপাশি একটি চ্যালেঞ্জ বটে। সারাদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম সেহরি ও ইফতারের আয়োজনে যেন শেষ হয় প্রবাসীদের রাত দিন। নিজের জন্য নতুন জামা কাপড় কেনাকাটার সময় না থাকলেও পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য বরাবরই দায়িত্বশীল প্রবাসীরা। তাই ঈদের দিনে অনেক প্রবাসীর নতুন পোশাক না পড়লেও, ঈদের জামাত শেষে একে অন্যের সাথে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেও ভুলেনি তারা। পরিবার স্বজন ও আত্মীয় বন্ধু-বান্ধব বাদে, নামাজ শেষ করে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ও প্রবাসী বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনের
বাংলাদেশসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে দেশটির জাতীয় মসজিদে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ঈদের নামাজে অংশগ্রহন করেন। নামাজ শেষে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র গুলোতে শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এটি। প্রবাসে থেকে একমাস রোজা রাখা ও ঈদ পালন করা প্রবাসীদের ধর্মীয় দায়িত্বের পাশাপাশি একটি চ্যালেঞ্জ বটে। সারাদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম সেহরি ও ইফতারের আয়োজনে যেন শেষ হয় প্রবাসীদের রাত দিন। নিজের জন্য নতুন জামা কাপড় কেনাকাটার সময় না থাকলেও পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য বরাবরই দায়িত্বশীল প্রবাসীরা।
তাই ঈদের দিনে অনেক প্রবাসীর নতুন পোশাক না পড়লেও, ঈদের জামাত শেষে একে অন্যের সাথে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেও ভুলেনি তারা।
পরিবার স্বজন ও আত্মীয় বন্ধু-বান্ধব বাদে, নামাজ শেষ করে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র ও প্রবাসী বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ঘুরতে যায়। এছাড়া অনেক প্রবাসী নামাজ শেষ করে, ঈদের দিন সম্পূর্ণ ছুটি না থাকায় কর্মস্থলেও ফিরতে হয়েছে।
কুয়ালালামপুর শহরে ও শহরের বাহিরে বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী এবার মালয়েশিয়া ঈদ পালন করেছে। প্রবাসীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ঈদের ছুটিতে অনেক পেশাজীবী মানুষও এবার মালয়েশিয়া ঈদ পালন করেছে।
ঈদকে রাঙিয়ে তুলতে মালয়েশিয়ার শহর থেকে গ্রাম সেজেছে রং তুলির সাজে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে, কর্মসংস্থানের কারণে বহু দেশের মানুষের বসবাস। স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশীদের ঈদ উদযাপন নিরবিচ্ছিন্ন হয় ও আনন্দে কাটে, সেই জন্য নিরবিচ্ছন্ন নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ।
ঈদের আগের দিন, মালয়েশিয়ার রাজা ইয়াং ডি-পেরতুয়ান আগোং ও প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
What's Your Reaction?